20 March 2016

প্রতিকার সহ জেনে নিন কম্পিউটার হ্যাং (আনরেসপন্সিভ) হয়ে যাওয়ার কারণ সমূহ!

————————–— بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ————————–—
সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি, সবাইকে আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি কম্পিউটার আনরেসপন্সিভ হয়ে যাওয়ার কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে আমার আজকের মেগা টিউন।
কম্পিউটার হ্যাং (আনরেসপন্সিভ) হওয়ার সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। আপনি হয়তো কোন কাজ করছেন এমন সময় দেখলেন হঠাৎ করেই কিবোর্ড কোন কাজ করছে না, কাজ করছে না মাউসও। পিসিতে কোন কমান্ড দিতে পারছেন না, পিসি আপন মনে চলছে কিংবা নিজের ইচ্ছেই বন্ধ হয়ে আছে। এমন অবস্থাকে আমরা সাধারণত কম্পিউটার হ্যাং হওয়া বলে অভিহিত করে থাকি। কম্পিউটার কিংবা কম্পিউটারের সিস্টেম যখন হ্যাং হয়ে যায় তখন সাধারনত সিপিইউ ইউজ ১০০% দেখায়। যারা সিপিইউ মিটার ব্যবহার করেন তাদের কাছে এটা দৃষ্টিগোচর হওয়ার কথা। যাহোক, কখনো কি মনে হয়েছে কম্পিউটার কেন এমন হ্যাং হয়ে যায়? আর হ্যাং হয়ে গেলে আমাদের করণীয় কী? আজকের টিউনে আমরা বিস্তারিত দেখানোর চেষ্টা করবো সিস্টেম হ্যাং হয়ে যাওয়ার কারণ সমূহ। এবং অতি অবশ্যই সিস্টেম হ্যাং হয়ে যাওয়ার কারণের পাশাপাশি এর প্রতিকারও বলা হবে। সিস্টেম হ্যাং হয়ে যাওয়ার মিলিয়ন কারণ থাকলেও আমরা কেবল তাদের মাঝে সবচেয়ে কমন এবং সর্বাধিক ঘটা কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

হার্ডওয়্যার ইনকম্প্যাটিবিলিটি

অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা হ্যাং হওয়ার অনেক বড় কারণ হলো হার্ডওয়্যার ইনকম্প্যাটিবিলিটি। সেই হার্ডওয়্যার অনেক কিছুই হতে পারে। যেমন, কম্পিউটারের মাউস, কিবোর্ড, সিডি ড্রাইভ, হার্ডওয়্যার এমনকি ইউএসবি ডিভাইসের জন্য কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হার্ডওয়্যার ইনকম্প্যাটিবল থাকলে কম্পিউটার স্ক্রিণ নীল হয়ে যায়। একে বলা হয় “Blue Screen of Death (BSOD)”। এই ধরনের ব্লু-স্ক্রিন সমস্যা শুধুমাত্র অতিপ্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্থ হলে দেখা দেয়। যেমন, হার্ডড্রাইভ, ফিজিক্যাল মেমোরি (র‍্যাম) ইত্যাদি।

ড্রাইভার সমস্যা – চালকের সাথে নো ঝামেলা

যদি হার্ডওয়্যারে কোন সমস্যা না থাকে তাহলে ড্রাইভার হলো পরবর্তি বিবেচ্য বিষয়। কারণ ড্রাইভারগুলোই হার্ডওয়্যারগুলোকে পরিচালনা করে। অনেক সময় কম্পিউটারের ড্রাইভার সমস্যার কারণে সিস্টেম আনরেসপন্সিভ হয়ে যায়। মজার ব্যাপার হলো টিউনটি যখন লিখছি ঠিক তখনই কোন কারণ ছাড়ায় গ্রাফিক্স ড্রাইভার এরর দেখিয়ে আমার পিসির স্ক্রিন লাইট একবার চলে যাচ্ছিলো আবার ফিরে আসছিলো। তো এরকম সাউন্ড ড্রাইভার, ব্লুটুথ, ওয়্যারলেস কিংবা অন্যান্য ড্রাইভারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন অবস্থায় পুরাতন ড্রাইভার আনইনস্টল করে নতুন ড্রাইভার ইনস্টল করতে হবে। তাছাড়া নিয়মিত ড্রাইভার আপডেট করা গুড প্র্যাকটিস হিসাবে গণ্য করা হয়।

উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এরর – প্রাণ নিয়ে টানাটানি

উইন্ডোজ এবং উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি হলো খুবই জটিল একটি সৃষ্টি। খুব সামান্য একটু রেজিস্ট্রি এরর এর কারণে শুধু কোন প্রোগ্রাম না বরং পুরো কম্পিউটার অচল হয়ে যেতে পারে। কোন প্রোগ্রাম যখন কম্পিউটারে ইনস্টল করা হয় তখন তার সাথে অনেক রেজিস্ট্রি এনট্রি হয়ে যায়। আবার সেগুলো আনইনস্টল করলেও অনেক সময় রেজিস্ট্রি রিমুভ হয় না। এর ফলে কম্পিউটারে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া কম্পিউটারের রেজিস্ট্রিগুলো কোন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেগুলোর কারণেও কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যেতে পারে। তাই কম্পিউটার হ্যাং এড়াতে নিয়মিত রেজিস্ট্রি পরিষ্কার করতে হবে। কম্পিউটারে রেজিস্ট্রি ক্লিন করার জন্য আমার দেখা অন্যতম ভালো সফটওয়্যারটি সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

ম্যালওয়্যার – ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, ট্রোজান, এডওয়্যার

বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের আক্রমনে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যেতে পারে। কোন ধরনের ম্যালওয়্যার কী ধরনের ক্ষতি করে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার, ট্রোজান ইত্যাদি ম্যালওয়্যারগুলো প্রতিনিয়ত ইন্টারনেটে আপলোড করা হচ্ছে। সেগুলো‌ই হয়তো আপনার অজ্ঞাতসারেই কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়ে সিস্টেম স্লো করে দিচ্ছে। আর এ কারণে খুব ভালোমানের ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত। আমার প্রিয় ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যারগুলো হলো, ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি এবং এভিজি ইন্টারনেট সিকিউরিটি। শুধু ইন্টারনেট সিকিউরিটি প্রোগ্রাম থাকলেই হবে না। এগুলোকে নিয়মিত আপডেট করতে হবে এবং কম্পিউটার স্ক্যান করতে হবে।

এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম – রক্ষক যখন ভক্ষক

মজার ব্যাপার হলো একটু আগে আমি কম্পিউটারের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে এন্টি ম্যালওয়্যার প্রোগ্রামের কথা বললাম সেগুলোর কারণেই কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যেতে পারে। একটি কম্পিউটারে যদি একাধিক এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইনস্টল করা থাকে তাহলে কম্পিউটার নির্ঘাত হ্যাং হয়ে যাবে। তাছাড়া বর্তমান বাজারে প্রচলিত যতো এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম আছে তাদের অধিকাংশ কম্পিউটার স্লো করে ফেলে। এ কারণে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করিনা। যদি করি তাহলে উপরে রিকমেন্ড করা এন্টিভাইরাস দুটির যেকোন একটি সাময়িকের জন্য ব্যবহার করি।

কম্পিউটার কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে বাগ

সাধারনত অ্যাপ্লিকেশনে বাগ থাকলে সেই অ্যাপ্লিকেশন পিসিতে চালালে পিসি হ্যাং হয়ে যায়। অনেক সময় ফায়ারফক্স, ক্রোম ইত্যাদি ব্রাউজারগুলোকেই হ্যাং হয়ে যেতে দেখা দেখা যায়। এর কারণ হলো আপনি যে ওয়েব সাইট ব্যবহার করছেন সেখানে কোডিং এ বড় ধরনের বাগ আছে। সমস্যাটা শুধু আমারই হয় কিনা জানিনা, মাঝে মাঝে টেকটিউনসে ঢুকলেই আমার ব্রাউজার হ্যাং হয়ে যায়, হা হা হা। যাহোক, যদি আপনি সৌভাগ্যবশত ধরতে পারেন যে কোন প্রোগ্রামের কারণে সমস্যা হচ্ছে তাহলে সাথে সাথে সেটা রেজিস্ট্রিসহ আনইনস্টল করে ফেলুন।

কাস্টম সেটিংস – অতিচালাকের ভবিষ্যৎ সব সময় ভালো হয় না

অনেক সময় আমরা টেকটিউনসে কিংবা আরও কিছু আন্তর্জাতিক মানের ওয়েব সাইটে পিসির স্পিড আপ করার জন্য বিভিন্ন রেজিস্ট্রি এডিট, ডিফল্ট প্রোগ্রাম চেইঞ্জ কিংবা আরও অনেক থার্ডপার্টি সফটওয়্যারের ব্যবহার দেখে থাকি। কিন্তু আমাদের এই চেইঞ্জগুলো সব সময় ফলপ্রসূ হয় না। এ কারণে কোন বিষয়ে বিস্তারিত না জেনে কারও কথায় হুটহাট কোন সেটিং পরিবর্তন করবেন না। যদি করতেই চান তাহলে অবশ্যই তার আগে উক্ত সেটাপের ব্যাকাপ নিয়ে রাখবেন। তারফলে সমস্যা দেখা দিলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবেন।

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারণ আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। আর টিউনটিকে মৌলিক মনে হলে এবং নির্বাচিত টিউন হওয়ার উপযুক্ত মনে হলে নির্বাচিত টিউন মনোনয়ন দিতে ভুলে যাবে না যেন। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো, আসুন আমরা কপি পেস্ট করা বর্জন করি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

কম্পিউটার পার্টিশান সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যাবলীর সহজ সমাধান, হয়ে যান পার্টিশান গুরু।

আমাদের প্রত্যকেই  কিছু আলাদা পারটিশান রাখতে পছন্দ করি কারন  এর ফলে আলাদা আলাদা ভাবে ফাইল রাখতে সুবিধা হয়।  তাই অনেক সময় পারটিশান দেবার প্রয়োজন পরে, কিন্ত ডিফল্টভাবে পারটিশান দেয়া যথেষ্ট ঝামেলা পূর্ণ এবং এর ফলে হার্ড ডিস্ক ডাটা লস হয়ে থাকে। আজ আপনাদের নিকট একটি সফটওয়্যার শেয়ার করব জার মাধ্যমে সহজেই পারটিশান তৈরি অথবা রিসাইজ করা যাবে এবং কোন ফাইল ডিলেট করতে হবে না।অসাধারন এই  সফটওয়্যারটির ব্যাপারে কিছু বলার আগে নিজেই দেখে আসুন তাদের অফিসিয়াল ওয়েব।

কিছু বৈশিষ্ঠ্য শেয়ার করছি যার কারনে সফটওয়্যারটির রেটিং অন্য সব সফটওয়্যার থেকে উপরে এবং বড় বড় CNET এবং pcworld এর মত সাইট এটা ব্যবহার করার জন্য রিকমেন্ড করে।
মুভ এবং রিসাইজ পারটিশান :
অনেক সময় দেখা যায় এক ড্রাইভ এর জায়গা শেষের দিকে অথচ অন্য ড্রাইভ খালি পরে রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান EaseUS এর মাধ্যমে অতি সহজেই করা জায় কোন প্রকার রিবুট করা ছারাই।

FAT থেকে NTFS ড্রাইভ এ পরিবর্তন :
NTFS হচ্ছে সব থেকে আধুনিক FAT সিস্টেম থেকে, অনেক ফিচার NTFS এ রয়েছে যা FAT এ নেই। এই সফট এর মাধ্যমে অতি সহজেই ফাইল পরিবর্তন সম্ভব।

ট্রান্সফারিং হার্ড-ডিস্ক :
সবথেকে চমৎকার যেটা আমার কাছে লেগেছে সেটা হল আপনি ইচ্ছা করলে আপনার উইন্ডোজ ট্রান্সফার করতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছারাই। অর্থাৎ আপনি হুভহু সকল ফাইল অন্য হার্ড ডিস্ক এ ট্রান্সফার করছেন তাও উইন্ডোজ দিতে হচ্ছে না।
সুতরাং এই চমৎকার সফটওয়্যার টি ব্যবহার করেই দেখুন তারপর বুঝুন এটি কেমন কাজের। পার্সনাল ব্যবহারের জন্য সফটওয়্যার টি ফ্রি। তাই ডাউনলোড করে সহজেই হয়ে যান পারটিশান এর গুরু। ডাউনলোড

ডাউনলোড করে নিন Bitdefender Total Security 2016 with Active Key Latest আপডেট

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার। পরম করুণাময় মহান আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে আমার আজকের টিউন শুরু করছি। আসসালামু আলাইকুম আমার প্রাণপ্রিয় ছোট, বড় ভাই-বোনেরা।আশা নয়, বিশ্বাস আল্লাহ্‌র রহমতে খুব ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি।
আপনাদেরকে নতুন তথ্য দেওয়া, নতুন কিছু উপহার দেওয়া, তার বিনিময়ে একটু থ্যাংকস পাও্যার আশা করি।

Antivirus Software সকল পিসি ইউজারদের জন্য খুব দরকারী সফটওয়ার। বর্তমান পিসিতে নেট বা বিভিন্ন ধরনের ইউ এস বি ডিভাইস ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ধরনে ভাইরাস পিসিতে রক্ষিত মূল্যবান ডাটা ন্ষ্ট করে দেয়। ভািইরাস থেকে পিসিকে রক্ষা করতে আমরা বেশীর ভাগই ফ্রী Antivirus Software ব্যবহার করি।
তাই সকল ফ্রী Antivirus Software ব্যবহারকারীদের জন্য আজ পেইড Antivirus Software কী সহ নিয়ে আসলাম এক বছর বিনা মূল্যে এই Antivirus Software টি ব্যবহার করতে পারবেন।
নিজে বিস্তারি ইংরেজিতে লেখা আছে। একটু কষ্ট করে পরে Antivirus Software টি ডাউনলোড দিয়ে একটিভ করে নিন।

Bitdefender Total Security 2016
It builds on technology awarded PRODUCT OF THE YEAR and uses machine-learning to fight off cyber-threats without impacting your device’s performance. It automatically takes the best security decisions for you in securing your data, protecting online payments and safeguarding online privacy. Also includes a new firewall, redesigned parental controls, a one-click optimization tool and even helps recover or block your devices in case of loss or theft.
What’s New 
  • Bitdefender 2016 is Windows 10 Ready – Windows 10 will launch on July 29. Bitdefender 2016 products line (Bitdefender Total Security, Bitdefender Internet Security and Bitdefender Antivirus Plus) make Windows 10 more secure. We are fully compatible with Windows 10.
  • Brand New Bitdefender firewall – New effective network firewall designed specifically for Windows 10.
  • Ransomware Protection – Protects your important files, videos and photos from being held for ransom by malware.
  • Synchronization Bitdefender wallet – Accessible from any device.
  • New Password Generator – Creates strong passwords that are difficult to hack.
How To Activate ? 
  1. Make Bitdefender account
  2. Click on My Subscriptions
  3. Click on Activation code
  4. Paste the key
  5. Enjoy! 😀
Screenshot 

Download & Links
Key
Bitdefender Total Security 2016 Key
Bitdefender Total Security 2016 Trial’s
Bitdefender Total Security 2016 Offline Installer 32-bit / Mirror (277 MB)
Bitdefender Total Security 2016 Offline Installer 64-bit / Mirror (316 MB)

facebook ফ্রেন্ডদের হাইড করা বা লুকানো ই-মেইল হ্যাক করুন খুব সহজে

সালাম ও শুভেচ্চা জানিয়ে শুরু করলাম আজকের হ্যাকিং বিষয়ক টিউনটি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। ভাল না থেকে উপায়ও নেই কারণ বসন্ত যে শুর হয়ে গেছে। বসন্তে অসূখি থাকা ঠিক না। বসন্তের শুভেচ্ছার সাথে জেনে নিন কিভাবে আপনি আপনার ফেজবুক ফ্রেন্ডদের লুকানো ই-মেইল হ্যাক করবেন অর্থাৎ ই-মেইলটি খুজে বের করবেন। কারণ প্রতিটি সচেতন ফেজবুক ইউজারই নিরাপত্তার স্বার্থে  তাদের ই-মেইল একাউন্ট হাইড করে রাখে। তার আগে বলে রাখি, আমি কোন ধরনের প্রফেশনার হ্যাকার নই কিংবা প্রফেশনালদের ধারে-কাছেরও কেউ নই। আমি যে বিষয়টি নিয়ে টিউন করছি তা খুবি সহজ একটি টিউন যা আপনি খুব সহজেই করতে পারবেন। অবশ্যই আমার আজকের টিউন যারা এই বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকে জানেননা তাদের জন্য। সুতরাং প্রফেশনাল বা জ্ঞানীরা দূরে থাকাই ভাল। তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে আপনি আপনার ফেজবুক লগ-ইন করে নিন তারপর একটি ইয়াহু একাউন্ট খুলুন (যাদের একাউন্ট আগে থেকেই আছে তাদের আর নতুন করে একাউন্ট খোলার দরকার নাই যেটা আছে ওটাতেই সাইন-ইন করুন)। জিমেইলে আমি ট্রাই করিনি আপনারা ট্রাই করে দেখতে পারেন। ইমেইল একাউন্ট খুলতে এখানে ক্লিক করুন। একাউনটি অপেন করলে নিচের মত দেখবেন

এবার আপনি নীল দাগ দেওয়া কন্টাক্ট চিহৃটিতে ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন

এবার নীল দাগ দেওয়া ফেজবুকের Import ট্যাব এ ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন

আপনার কাজ শেষ। যে ছবিটি দেখতেছেন তার বাম পাশে তাকিয়ে দেখুন সেগুলোই হলো আপনার ফেজবুক ফ্রেন্ড আর তাদের ই-মেইল এড্রেস। এখানে আমি আমার ফ্রেন্ডদের ই-মেইলগুলো মুছে দিয়েছি ফ্রেন্ডদের একাউন্টের নিরাপত্তার স্বার্থে।
বিঃ দ্রঃ হাতেগোনা কয়েকজন ফ্রেন্ডদের ই-মেইল একাউন্ট শো করেনা কেন করেনা তা আমি গবেষণা করে দেখিনি। আপনাদের প্রতি অনুরোধ রইল সময় পেলে গবেষণা করে আমাদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করবেন

বানিয়ে নিন নিজের ফেক অনলাইন ন্যাশনাল আইডি কার্ড আর ভেরিফাই করুন সমস্ত অনলাইন একাউন্ট

  1. প্রথমে  এখান থেকে ফেক আইডি কাড টি ডাউনলোড করুন আপনি চাইলে স্ক্যান করেও নিতে পারেন।
  2. এরপর ছবি গুলো কে ফটোসপে নিয়ে হাইট 2.1 ইন্চি ও ওয়াইড 3.2 ইন্চি মাপে সুন্দর ভাবে কেটে নিন। নিচের চিত্র দেখুন
  3. এবার নিচের চিত্রের মত Image-Adjustment-Hue Select করুন
  4. নিচের মত Hue থেকে Saturation -100 করে দিন এতে ছবিটি সাদা কালো হবে
  5. এবার নিচের মত Image--Adjustment--Selective Color থেকে Color এ গিয়ে Neutrals সিলেক্ট করুন ও  Black এর মান ধীরে বাড়াতে থাকুন ও প্রয়োজন মত বাড়ান।
  6. পিছনের পার্টে শুধু  Image--Adjustment--Selective Color থেকে Color এ গিয়ে Black সিলেক্ট করুন ও  Black এর মান ধীরে বাড়াতে থাকুন ও প্রয়োজন মত বাড়ান
  7. আপাতত ছবির কাজ শেষ এবার File হতে New সিলেক্ট করুন Preset হতে A4 পেজ  নিয়ে নিন ও আপনার আইডির সামনের ও পিছনের পার্ট Move Tools সিলেক্ট করে + Ctrl+Alt ও মাউসের Left Baton ব্যবহার করে নিচের মত করে সাজিয়ে নিন।
  8. এবার আপনার এই ফাইলকে JPEG ফরমেটে সেভ করে যে কোন কম্পিউটারের দেকান বা নিজের প্রিন্টার হতে প্রিন্ট করে নিন ও পরবর্তি সময়ে মাত্র ১ টাকায় এই মাস্টার প্রিন্ট হতে ৪ কপি ন্যাসনাল আইডি PhotoCopy করুন।

08 March 2016

ইউটিউবারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্যপুর্ন সফটওয়্যার


ইউটিউবিং স্টার্ট করার পিছনে একটা ছোট্ট গল্প আছে , গল্প ঠিক না একটা জেদ ছিল

maxresdefault
পরিচিত এক ছোট ভাই প্রায় নক করত তাকে অনলাইনের কাজ শিখানোর জন্য ।আমি যেহেতু php
নিয়ে কাজ করতাম আমি তেমন কিছু পারতাম না যা দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করা যায় এখনও পারি না আর আমি জানি তারে দিয়ে আর যাই হোক php শেখা হবে না । তাই তাকে BYM(Bangladesh Youtube Marketers) ইউটিউব চ্যানেল লিঙ্ক দিলাম কয়েক দিন খুবই লাফালাফি করল দেখলাম।এই করবে সেই করবে । পরে কিছু দিন দিন পর মেসেজ দিল “ভাই ইনকাম তো আসে না “
পরে দুই তিন দিন সে বেশ কয়েকবার নক করল আমি বিজি থাকার কারনে উত্তর দিতে পারিনি।পরে যা হবার তাই হল উনি উলটা পাল্টা মেসেজ দেয়া শুরু করল । এখানে থেমে গেলে ভাল হত ।কিছু দিন পর ওর মাকে ( আমার ধুর সম্পর্কের আন্টি )দিয়ে আমাকে ফোন দিল সে ,পরে বললাম দুই মাস পরে আমাকে নক দিতে।
তার পর ৫ ,৬ দিন অনেক বড় ভাইদের টিউটোরিয়াল দেখলাম মন দিয়ে
তার পরই নেমে পড়লাম কাজে টোটাল ১৭ চ্যানেল করসি ৯ টা জিমেইল দিয়ে । মোটামুটি ৪,৫ চ্যানেল থেকে ইনকাম আশা শুরু হইছে বাকি গুলার অবস্থা খুব বেশি ভাল না
যাক সে কথা এখন কাজের কথায় আসি , অনেকি দেখি ভিডিও আপলোড করার পর বলে ,ভিডিও কপি রাইট ধরসে ,থার্ড পার্টি ম্যাচড ইত্যাদি ইত্যাদি । আসলে আপনি যদি ভিডিও ভালোভাবে এডিট করতে পারেন তাহলে এই সমস্যা হওয়ার কথা না যেমন ধরুন আমি প্রায় ৩০০+ ভিডিও বানাইসি আমার একটা ভিডিও ও এই ধরনের সমস্যায় পরে নাই আর এমন কিছু সফটওয়ার আসে যেগুলা ইউজ করলে এই সমস্যা গুলা আর পেস করতে হয় না
আজকে তেমন কিছু সফটওয়ার নিয়ে আলোচনা করব আর একটু মন দিয়ে পড়বেন প্লিজ ।
১।Videomakerfx : এক কথায় অসাধারণ একটা সফটওয়ার, জটিল সব গ্রাপিক্স চোখ দাধান এনিমেশন, আনলিমিটেড ভিডিও ক্রিয়েশন , আর সব থেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে video rendering time অনেক কম লাগে ।আমার প্রায় ১২৭ ভিডিও এই সফটওয়্যার দিয়ে করা
Here is a Review


Another one

need this ? Click here
২।Videomotionpro : I am prety sure আপনি এই সফটওয়্যারটা আগে দেখেননি । এই ভিডিও নিয়ে কাজ করলে আপনার ভিডিওতে প্রফেশনাল মান দিতে পারবেন
এখানে আছে অসাদারন সব Intro ,Outro, lower third। এই সফটওয়ার টা দিয়ে আরেকটি কাজ করতে পারবেন
যেমন fiverr.com গিয়ে সার্চ দেন Intro ,Outro লিখে দেখবেন শুধু মাত্র একটা Intro বা Outro করে দিচ্ছে ৫ ডলারের বিনিময়ে ।আপনি ইচ্ছে করলে এই সফটওয়ার দিয়ে fiverr.com এ ও কাজ করতে পারেন

Here is a Review

another one


need this ?

৩।Videoscribe : সত্যিই বলতে এই সফটওয়্যারটার গুনা গুন লিখে শেষ করা যাবে না।এককথায় দারুণ একটা সফটওয়্যার whiteboard video making এর ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যারটার জুড়ি নেই
এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি যা যা করতে পারবেন তা হল ,Website videos, Product demos,explainer videos,social clips ,social tiips,amazon product promotion ইত্যাদি
Here is a Review
৪।EasySketchPro : এই সফটওয়ারটা অনেকটা Videoscribe এর মতই Videoscribe এ যে সব সুবিদা আছে এইতটা প্রায় সেইম তবে এইটাতে ভিডিও রেন্ডারিং হতে অনেক সময় কম লাগে ।পৃথিবীর নামী দামী অনেক কোম্পানি এই সফটওয়্যার ইউজ করে যেমন , Aweber, Getresponse, Mailchimp, Sendreach, Campaign Monitor
Here is a Review

need this ?

৫।ProShow Producer : অসাধারণ সব স্লাইড শো করতে এই সফটওয়ারের তুলনা হয়না। ভিডিও মার্কেটেরদের কাছে প্রিয় সফটওয়্যার গুলার মধ্যে এইটা উন্যতম

Here is a Review

need this ?


৬।Camtasia Studio : বাংলাদেশের খুব কম ইউটিউবার আছে যে কিনা এই সফটওয়ারের নাম শুনে নাই
তবে সমস্যা হচ্ছে এই সফটওয়ারটা ৩০ দিন পর আর ইউজ করা যায় না
তবে আপনি এই সফটওয়ারটা ডাউনলোড করে আজিবন প্রি চালাইতে পারবেন
Here is a Review

need this ? আজকে গেলাম হয়ত আবারো হাজির হব নতুন নতুন সব সফটওয়ার নিয়ে সে পর্যন্ত ভাল থাকুন সবাই
আর হ্যাঁ ভাল কথা সব গুলা সফটওয়ার গুলা আপনি নেট থেকে  ক্র্যাক পেতে পারেন ,আমি ক্রাক ইউজ করি কন সমস্যা হয় না

https://nakibsdiary.wordpress.com/2016/03/04/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF/ 

07 March 2016

Latest-Kaspersky 2016 এর ২ বছর+ লাইসেন্স নিন একদম ফ্রীতে তাও আবার ব্লক হবার ঝামেলা ছাড়া(টেরা টিউন)

বেশি কিছু বলব না,কারন সেটাপ করার কাজ অনেক তাই সরাসরি কাজে চলে যাই।
Kaspersky এন্টিভাইরাস পৃথীবির জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস গুলোর মধ্যে অন্যতম।কিন্তু Kaspersky Lab এটি ৩০ দিনের ট্রাইল হিসেবে ব্যবহার করতে দেয়,কথা হল যাদের টাকার অভাব নেই তারা কিন্তু অনায়াসেই বাজার থেকে কিনে ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু তাহলে আমরা কি করব যারা হিসেব করে চলি বা ছাত্র ? হ্যা তাই আমি আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম দুই বছর+ অর্থাৎ ৭৩৫ দিনের লাইসেন্স ফ্রী(যেটাতে আগের মত আপডেট দিলে ব্লক করে দেয়ার ঝামেলা নেই,তাই নিশ্চিন্ত থাকাটাই শ্রেয়)
১। প্রথমেই Kaspersky 2016 latest ডাউনলোড করেনিন এখান থেকে Kaspersky Internet Security 2016 (166 MB) /Mirror
>এবার এখান থেকে লাইসেন্স সহ কিছু দরকার ফাইল অর্থাৎ Patch ফাইল টি ডাউনলোড করে নিন Kaspersky Patch (1 MB)
২। ডাউনলোড করে সাধারন ভাবে ইন্সটল করেন,এবং Active Trail Version Of The Application এ ক্লিক করে ৩০ দিন Trail এক্টিভ করে নিন।আর যাদের আগে থেকেই ডাউনলোড করে ইন্সটল দেয়া আছে ২০১৬ ভার্সন তারা পরের নির্দেশনা দেখুন।
৩।বাম পাশে নিচে সেটিং আইকন এ ক্লিক করুন,তার পর Additional এ গিয়ে Self-Defense এ ক্লিক করুন
এবার Self-Defense Disable করতে হবে তাই টিক চিহ্ন টা উঠিয়ে দিন,কনফার্ম Window আসলে Ok তে ক্লিক করুন এবং Protection Pause করে দিন টাস্ক বার থেকে Kaspersky এর আইকন এ ডান বাটন ক্লিক করে।
৪, এবার Back করুন,তারপর Setting>General ট্যাব এ ক্লিক করুন ও  এরপর ডানদিকে Manage Setting এ ক্লিক করুন এবার Import Setting এ ক্লিক করুন।
৫, এবার আমার দেয়া Patch ফাইলটি আনজিপ করার পর ভেতরে একটা সেটিং পাবেন(Setting Import 2016 By Anik.cfg) এ ক্লিক দিয়ে Open এ ক্লিক দেন।
৬, এবার টাস্কবার থেকে Kaspersky,Exit করে দিন।(Exit Kaspersky From Taskbar)
৭,আমার দেয়া Patch ফাইল টির ভেতরে HostBlocker পাবেন,তাতে ডান বাটন ক্লিক করে Run As Administrator এ ক্লিক করুন।
8,সবার শেষ কাজ,আমার দেয়া ফাইলের ভেতরে KRT_ANIK TANIM,সফট টি normal ভাবেই ওপেন করুন এবং এবং কি-বোর্ড এ চাপুন Ctrl+Alt ( Press Ctrl+Alt while in KRT window)
১০, Active এ ক্লিক করে KV Licence ফোল্ডারে License নামে ফোল্ডার পাবেন তার ভেতরে যে ফাইল গুলো আছে তার যেকোন একটা ওপেন করুন!
ব্যাস কেল্লা ফতে এবার দেখুন !!!

বিঃদ্রঃ UPDATE সার্ভার MODDED BY HOSTBLOCKER(Personal Update Server) তাই আপডেট দিলেও BLOCK হবার কোন কথাই নেই,তাই এ ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকুন।

এখন মজা নিন ৭৩৫ দিনের Full Version তাও আবার ফ্রীতে

17 February 2016

ফটোশপে দিয়ে ব্লীড কিভাবে সেট করতে হয়?


ব্লীড সেট করা নিয়ে অনেকেরই অনেক সমস্যা দেখা যায়। অনেকে ব্লীড কি তাই জানেন না,আবার অনেকে ব্লীড সম্পর্কে জানলেও ভুলভাবে ব্লীড সেটাপ করেন।  যারা ব্লীড সম্পর্কে কিছুই জানেন না এবং যারা ব্লীড সেটাপ সম্পর্কে ভাল ধারণা নেই তাদের উদ্যেশ্যেই আমার এই ছোট্ট প্রচেষ্টা। আশা করি উপকারে আসবে।
সাধারণত প্রিন্ট টেম্প্লেট ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্লীড ব্যবহার করতে হয়। ব্লীড হচ্ছে একটা বাড়তি অংশ যা প্রিন্টের পর কেটে ফেলা হয় এবং যা মূল ডিজাইনের কোন ক্ষতি করে না।
এবার আসি, কিভাবে ব্লীড দিতে হয়ঃ
ব্লীডের সাইজ হবে ০.২৫ ইঞ্চি। প্রতি পাশে ০.১২৫ ইঞ্চি ব্লীড বসবে। ফটোশপে ব্লীড দিতে গেলে ০.২৫ ইঞ্চি দিয়ে দিতে হয়। কারণ ফটোশপে একসাথে দুইপাশের ব্লীড দিতে হয়। নিচে ইমেজ সহকারে বিস্তারিত দেয়া হল।
এটা একটা বিজনেস কার্ড। যার মুল সাইজ 3.5×2 ইঞ্চি এবং ব্লীড সহ 3.75×2.25 ইঞ্চি।
♦ প্রথমে File >> New তে গিয়ে নতুন একটি ফাইল ওপেন করুন। সাইজ 3.5×2 ইঞ্চি নিন।
Bleed1
♦ এবার চারপাশে গাইডলাইন দিয়ে মার্ক করুন মুল সাইজকে।
Bleed2
 ♦ এরপর Image >> Canvas size এ গিয়ে ব্লীড সাইজ সহ অর্থাত 3.5×2 ইঞ্চির স্থলে 3.75×2.25 ইঞ্চি দিয়ে OK করুন। অথবা Relative এ টিক মার্ক দিয়ে width: 0.25 in & Height: 0.25 in দিয়ে OK করুন।‌
Bleed5
♦ আবারও চারপাশে গাইডলাইন ব্যবহার করে ব্লীড সাইজ মার্ক করুন।
Bleed6
এখন আপনার ব্লীড সাইজ সঠিক মাপে সেটাপ করা হলেও আরও কিছু কাজ বাকি আছে যা মূল ডিজাইনের সাথে জড়িত।
WrongBleed
উপরের ছবিটি দেখুন। এটা ভুলভাবে ব্লীড দেয়া হয়েছে। মুল ডিজাইনে কালার থাকলেও ব্লীড দেয়া হয়েছে সাদা। প্রিন্ট করার পর যে কাটার মেশিনের সাহায্যে কাটা হয় সেই কাটার মেশিন সব সময় একই পরিমান কাটে না। ১ পিসেল কম-বেশি করে ফেলে। এখন এই ডিজাইনটা প্রিন্ট করার পর কাটার মেশিন যদি ডান পাশে ১ পিক্সেল কম কাটে আর বাকি তিন পাশে যদি সঠিক পরিমানে কাটে তাহলে দেখা যাবে ডান পাশে ১ পিক্সেল সাদা বর্ডার দেখা যাচ্ছে। অথবা কাটার মেশিন যদি চারপাশেই এক পিক্সেল করে কম কাটে তাহলে চারপাশেই এক পিক্সেলের একটা সাদা বর্ডার দেখা যাবে। কিন্তু আপনি কি সাদা বর্ডার চেয়েছিলেন? নিশ্চয়ই না। সেজন্যই মুল ডিজাইনের বর্ডারের কাছে যেসব কালার,শেইপ,ছবি থাকবে সেগুলাকেও ব্লীড পর্যন্ত প্রসারিত করতে হবে।
উপরের ছবিটি দেখুন। এখানে সঠিক ব্লীড দেয়া হয়েছে। মুল ডিজাইনের যেসব কালার,শেইপ বর্ডার পর্যন্ত ছিল তার সবগুলোকেই ব্লীড পর্যন্ত প্রশারিত করা হয়েছে। এখন প্রিন্টিং এর পরে যদি কাটার মেশিন ১-২ পিক্সেল কমও কাটে তবু বুঝা যাবে না। কোন সাদা বা অন্য কোন রং এর অংশ যোগ হবে না। আপনার মূল ডিজাইন অক্ষুণ্য থাকবে।
এখানে ফটোশপের সাহায্যেই দেখানো হল। ইলাস্ট্রেটরেও একই নিয়ম শুধু প্রথম অংশটি বাদে অর্থাৎ ব্লীড সাইজ সেটআপ করার ব্যপারটুকু আলাদা হবে। ইলাস্ট্রেটর এবং ইনডিজাইনে নতুন ফাইল খোলার সময়ই ব্লীডের জন্য আলাদা ঘর থাকে, সেখানে ব্লীডের পরিমান ( 0.125 in ) করে বসিয়ে দিতে হয়।

13 February 2016

নিয়ে নিন প্লেস্টোরের সবচেয়ে দামি এবং প্লেস্টোরে এ বছরের শ্রেষ্ঠ মনোনীত Louncher সাইজ মাত্র ১ মেগাবাইট।সব মিলিয়ে প্রায় 15$ দাম ও স্টাইল এবং পার্ফোমেন্সের দিক দিয়ে সবার থেকে সেরা।

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন সবাই।আশাকরি সবাই ভাল আছেন।আমিও আল্লাহতালার রহমতে ভাল আছি।
N.B- অবশ্যই পুরো টিউন পড়বেন না হলে ডাউনলোড করতে সমস্যা হতে পারে।আর ভাল লাগলে অবশ্যই সেয়ার করবেন।


জীবনে তো অনেক Launcher ইউজ করলেন কয়টায় বা আপনার মনের মতো হইছে বলুন।তবে আজ আমি যে Launcher টি দিবো তা একদম আলাদা এবং এ বছরের সেরা Louncher,আপনি হয়তো মনে মনে এমন Launcher খুজছেন।সত্যি কথা বলতে এর পার্ফোমেন্স এবং কাস্টোমাইজ সিস্টেম সবার থেকে আলাদা মনে হইছে।
আপনি চাইলেই এই Launcher এ অনেক অনেক পেইড এবং ফ্রি থিম ইউজ করতে পারবেন।তবে হ্যা আমি মোট ৩ টা পেইড থিম দিবো একদম ফ্রিতে,টোটাল প্যাকেজ যদি আপনি প্লেস্টোরে কিনতে যান তবে আপনার খরচ হবে প্রায় ১৫ ডলার।

হালকায়ে রিভিউ দেখে নেয়া যাক।

ss1

  • একটি আদর্শ Launcher এর সব সুবিধায় পাবেন আপনি।
  • সাইজ মাত্র ১ মেগাবাইট।
  • প্রতিটা অ্যাপ পেজে আপনি ইচ্ছামতো আলাদা ছবি সেট করতে পারবেন।
  • অনেক অনেক ফ্রি থিম পাবেন যা দিয়ে অন্য রকম লুকিং করতে পারবেন।
  • Gestures সুবিধা পাবেন বলে সব সর্টকার্ট আপনি Gestures এর মাধ্যমে করতে পারবেন।
  • আপনি চাইলেই নিজের ছবি আইকন বানিয়ে ইউজ করতে পারবেন।
  • ব্যাটারি এবং র‍্যাম ড্রেইন করে না।
  • ফোন সব সময় ফাস্ট রাখে।
অনেক কিছুই পাবেন যা বলে শেষ করা যাবে না।আর হ্যা পেইড ভার্সন বলে সকল ফিচার আনলক পাবেন।
ss2ss3

কথা দিচ্ছি আজ থেকে ফোন আর বোরিং লাগবে না।শুধু বল্বো ডাউনলোড করে নিন আশাহত হবেন না।

ঝামেলাবিহীন ভাবে ডাউনলোড করার জন্য যেকোন ব্রাউজার ব্যবহার করুন তারপর Download Now তে ক্লিক করুন অন্য কোন পেজে গেলে ব্যাক বাটন চেপে আগের পেজে এসে→ Click Here to Downlod ক্লিক করুন তাইলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।অপেরা মিনি বা ইউসি ব্যবহার করলে ভাল হয়।


প্রথমে এই লিংক থেকে ল্যাঞ্চারটি ডাউনলোড করুন।এবং ফোন কে আরো স্টাইলিশ বানাতে নিচের লিংক থেকে ছোট ছোট সাইজের থিম গুলো ডাউনলোড করে নিন।


পেইড কিছু থিম ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন → 




11 February 2016

আবিষ্কার করুন উইন্ডোজের এর কিছু অসাধারণ গোপন সফটওয়ার!!!

আপনি কি আপনার উইন্ডোজের এর সম্পর্কে সবকিছু জানেন? সেটা-ত মনে হয় না 😛 আপনি ভাবতেও পারবেন না যে কত কিছু রয়েছে এই উইন্ডেজের মধ্যে!! আমার কিছু নির্বাচিত সফটওয়ার আপনাদের কাছে আজকে তুলে ধরলাম। আমি জোর গলায় বলতে পারি যে আপনারা অধিকাংশ-ই এগুলো সম্পর্কে জানেন না! 😛 এগুলো উইন্ডোজের মধ্যে আগে থেকেই ইনস্টল করা আছে! এ কারণে আপনাদের ভাইরাস নিয়ে কোন চিন্তা-ভাবনা করার দরকার নেই 😛 এগুলো কাজ করবে, Windows Xp, Windows Vista, Windows 7 আবার  খুব সম্ভবত Windows 8 এও হতে পারে।

উইন্ডোজের কিছু গোপন সফটওয়ার:

১. Private Character Editor

Private Character Editor দিয়ে সহজেই আপনার উইন্ডোজের Font বা আপনার নিজের ইন্সটল করা Font Edit করতে পারবেন। আমি এটি দিয়ে আমার নিজের Font Collection করেছি।
  • Click start—type run—type eudcedit

২. Dr. Watson

এটি উইন্ডোজের Built-In repairing সফটওয়ার। এটি আগে থেকেই উইন্ডোজে ইন্সটল করা থাকে। এটি-ই আপনার কম্পিউটারের Error Message দেয়, কম্পিউটার Crash করার সময়। এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়ার আপনার কম্পিউটারের ত্রুটি বের করার জন্য এবং যথাসম্ভব সেটাকে ঠিক করার জন্য।
  • Click start—type run—type drwtsn32 / dwwin

৩. Media Player 5.1

আপনি কি এখনও আপনার Default Media Player ব্যবহার করতে পছন্দ করেন? এটি প্রায়সই Crash করে! কিন্তু আমি একটি পদ্ধতি বলব যার মাধ্যমে আপনি আপনার Media Player কে Downgrade করে Media Player 5.1 এ করতে পারবেন। এটি Latest Update টার থেকেও ভাল কাজ করে। কোন চিন্তা করবেন না! আপনি আবার আপনার Default Media Player ব্যবহার করতে পারবেন আবার পুরাতনটাও ব্যবহার করতে পারবেন!
  • Click start—type run—type mplay32 / mplayer / wmplayer

৪. IExpress

এটি আসলেই অনেক কাজের সফটওয়ার। এটি দিয়ে আপনি আপনার নিজের Setup ফাইল তৈরী করতে পারবেন। (Self-extracting setup file) এখন থেকে সহজেই নিজের .exe ফাইল তৈরী করুন!!
  • Click start—type run—type iexpress

Eassos PartitionGuru Pro ডাটা রিকোভারি সফটওয়ার

মাঝেমধ্যেই আমরা পিসি সংক্রান্ত বিভিন্ন ঝামেলার কারণে আমাদের মূল্যবান ডাটা কম্পিউটার থেকে হারিয়ে ফেলি।উইন্ডোজ রি-ইন্সটল বা কোনো ফাইল ভুল করে ডিলিট করে দেয়ার মাধ্যমেও আমরা হারিয়ে থাকি আমাদের ডাটা। অনেক সময় ভাইরাসের কারণেও এমনটি ঘটে থাকে। তখন মাথায় হাত দেয়া ছাড়া অন্য কিছু করা থাকে না। তবে যারা এডভান্স ইউজার তারা এমন সমস্যাকে এখন আর সমস্যাই মনে করেন না। আমি নিজেও একবার ডাটা হারিয়ে ভয়ানক বিপদে পরে গিয়েছিলাম। পরে সন্ধান পাই Eassos PartitionGuru Pro সফটওয়্যারটির। এটি একটি অসাধারণ সফটওয়্যার। কাজে না লাগালে আপনি বুঝতে পারবেন না এটি আপনার জন্য কত মূল্যবান।
  • hard disk recovery
  • Memory card recovery
  • Photo recovery
  • Deleted files recovery
  • hard disk bad sector recovery ‍আরো অনেক কিছু...
  • Backup partition to image file or restore partition from image file;
  • Clone partition to another partition by file or copy by sectors;
  • Clone the entire hard drive to another disk by file or by sectors;
  • Clone virtual disk and its partitions.

অনেক সময় মাল্টিপ্লান বা আইডিবিতে কম্টিউটার সার্ভিসিং করে যারা তারা ও  এই সফটওয়ার ব্যবহার করে থাকে।এটায় আপনি ডাটা উদ্ধারের জন্য তিনটি অপশন পাবেন।
  • ডিলিটেড ফাইল রিকভারি,
  • কমপ্লিট রিকভারি
  • পার্টিশন রিকভারি।
তাহলেই আপনি সহজেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোন অপশনটি কোন কাজ করে। ডিলিটেড রিকভারি দিয়ে আপনি ডিলিট করা ফাইল উদ্ধার করতে পারবেন। কমপ্লিট রিকভারি দিয়ে হার্ডডিস্কের পুরো বা নির্দিষ্ট একটি পার্টিশনের সবগুলো ফাইল উদ্ধার করতে পারবেন। পার্টিশন রিকভারি দিয়ে পারবেন হারিয়ে যাওয়া পার্টিশন উদ্ধার করতে।
ডাওনলোড করার জন্যে গুগল ড্রাইবে আপলোড করেছি

ডাওনলোড লিন্ক

আমরা WIFI LONGE RANGE কি ভাবে করব আসুন জেনে নেই ।




আমরা WIFI LONGE RANGE কি ভাবে করব আসুন জেনে নেই ।

আমি যতই বলি । এই সফট্ওয়ার দিয়ে লং রেঞ্জ ওয়াই ফাই চালাতে পারবেন ।আপনার কি বিশ্বাস হবে । যদি না জানেন তাহলে বাড়বে।কারন wifi range সমন্ধে ধারনা নেই ।এক হাত দড়ি টানলে দুই হাত হবে না । আজকাল যেমন কোন অফিসে বা চাকুরী খোজতে গেলে কার মাধ্যম লাগে ।তা ছাড়া হয় না ।তেমনি আপনার wifi range বাড়ানো কোন বোষ্টার এন্টিনা ছাড়া আমার মতে সম্ভব না । ওয়াই ফাই রেঞ্জ বাড়াতে হলে আপনার কিছু টাকা ব্যয় করতে হবে । অনেক ধরনের বোষ্টার এন্টিনা ও রাউটার কিনতে পাওয়া যায় । যদি বাড়াতে চান ।তাহলে কিনে নিবেন । এক ভাই আমাকে কমেন্ট করেছিল তাই লিখলাম । যদি কেহ বলে এই সফট্ওয়ারটি নেন ওয়াই ফাই রেঞ্জ বাড়বে ।অথ্যাৎ আপনাকে বোকা বানালো । মিছেমিছি টাকা খরচ করে কিনবেন না ।আপনার মোবাইল কম্পিটারের ওয়াইফাই রেঞ্জ বাড়াতে হলে যন্ত্রপাতি কিনতে হবে ।সফট্ওয়ার পাবেন শুধু কানেকশন করার জন্য ।আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ যে ওয়াইফাই দেওয়া আছে সেগুলো কোন সফট্ওয়ার লাগে না ।ওয়াইফাই  যে সফট্ওয়ার আছে তাহল সহজে ল্যাপটপ মোবাইল কানেকশন করা ।যদি আপনি রাউটার কিনতে চান ।তাহলে লিঙ্ক দিচ্ছি দেখে কিনে নিবেন ।ধন্যবাদ সবাইকে ।

কিছু ছবি উপরে দেওয়া হল ।

বিভিন্ন রাউটার  এর ছবি দেখার লিঙ্ক  LINK   .

বিভিন্ন রাউটার  এর ছবি দেখার লিঙ্ক   LINK           .

ফ্রিতে আপনার Windows 10 অ্যাকটিভ করে নিন এখনই।

আসসালামু আলাইকুম আশাকরি সবাই ভাল আছেন। আমি ও আল্লাহ রহমতে এবং আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি। আজ আমি আপনারে সাথে চরম একটি টি্উন শেয়ার করব যা আপনি হয়ত এত দিনে খুজে খুজে প্রায় হয়রান হয়েগেছেন। তা হল Windows 10 অ্যাকটিভ করার নিয়ম। আমরা প্রায় অনেকে Windows 10 ব্যবহার করে থাকি কিন্তু আজও অ্যাকটিভ করতে পারিনি। যার ফলে নানান সমস্যা ফেস করতে হচ্ছে। আজ আমি দেখাব কিভাবে আপনি কোন প্রাকার টাকার খরছ ছাড়া Windows 10 অ্যাকটিভ সারাজীবন এর জন্য।
কথায় আছে মানুষ যখন কোন যায়গায় পা ফেলার সুযোগ পায় তখন সে বসার জায়গা করে ফেলে, আর একবার তা করতে পারলে তখন সে শুয়ার জায়গা ঠিকই করে নেয়। আজ আমার সে সুযোগ টি ব্যবহার করব। আমরা যখন Windows 10 ফ্রিতে SetUp করার সুযোগ পেয়েছি আজ সেটি Full version বা Active করেই ছাড়ব। আমি আপনাদের জন্য একটি ভিডিও টিউটরিয়াল তৈরি করেছি যেটা খুব ভাল করে দেখবেন এবং সেখানে Software ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে আগে তা ডাউনলোড করে নিবেন।
আমার Video ভাল লাগলে Channel Subscribe, Like এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না আশাকরি।
Youtube Video Link

SEO করার ১১ টি কৌশল জেনে নিন যা ২০১৬ সালের জন্য অতি গুরুত্বপূর

যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন প্রতিনিয়ত আপডেট
হচ্ছে তাই মার্কেটারদের এর সাথে চলতে
হলে অবশ্যই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।
রিপোর্ট অনুযায়ী লিঙ্ক সার্চ করে
ব্যবহার
কারীর ক্লিকের ৭০% আসে SEO থেকে!
আবার, inbound leads (SEO) এর খরচ
outbound
leads (বিজ্ঞাপন) থেকে ৬১% কম।
এখন আপনি বুঝতে পারছেন SEO হলো
সাফল্যের চাবি, এখানে ১১ টি SEO কৌশল
দেয়া
হলো যা আপনাকে ২০১৫ তে অবশ্যই
জানতে
হবে।

১। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে
যা লিঙ্ক
অর্জন করবেঃ
সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমের সাথে সব কিছু
পরিবর্তনের পরও সার্চ ইঞ্জিনের সাথে
সব
চেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে ইনবাউন্ড SEO
লিঙ্কে। অপরদিকে লিঙ্ক অর্জনের অন্য
পদ্ধতিগুলো পরিবর্তিত হয়েছে। কোন উঁচু
মানের প্রাসঙ্গিক ওয়েব সাইট থেকে
লিঙ্ক
পাওয়া শুধু আপনার SEO এর সাহায্যে
সম্ভব হবেনা।
এর সাথে দরকার হবে রেফারেল ট্রাফিক,
যা
আরো বেশি বিক্রি ও ব্র্যান্ড এর
পরিচিতি বাড়াবে।
অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি যা মানুষ
শেয়ার করতে
চাইবে তা এখনও লিঙ্ক আয়ের প্রধান
উপায়
আছে।
২। Co-Citation লিঙ্কঃ
প্রতিবার সার্চ ইঞ্জিন আপনার
ওয়েবসাইট কে
আপনার প্রতদ্ধন্ধির পরেই পায়। এটা
তাদের
বলে যে আপয়ান্র কোম্পানি একই কুলঙ্গি
বা
বিষয়ের উপর। Co-Citation লিঙ্ক পেতে
হলে
“best” অথবা “top 10” দিয়ে আপনার
সাইটের
বিষয়ের উপর সার্চ করুন।
যেমনঃ টপ টেন ব্লু উইজেড
আপনি যদি এই সার্চ করেন আর রিজাল্টে
আপনার
ব্যবসা না পান তাহলে পাবলিশারের
সাথে
যোগাযোগ করুন, এবং লিস্টে আপনার
কোনপানি কে যোগ করার জন্য বলুন, কেন
এবং কোথায় আপনার কোম্পানি এখানে
যোগ
হবে তার জন্য তৈরি হোন। কোন লিঙ্কের
সাথে যেতে হলে তাদেরকে সারমর্ম দিন।
৩। এডিটোরিয়াল লিঙ্কঃ
এডিটোরিয়াল লিঙ্ক গুলো আপনার SEO
এর জন্য
অনেক শক্তিশালি হয়ে আসে কারণ এগুলো
অন্য পাবলিকেশন থেকে আপনার
কোম্পানি
উল্লেখ করে আপনার সাইটের বিষয়ের
ভিত্তিতে আসে। তারা আবার
লীডারশিপ গেস্ট
টিউন থেকেও আসতে পারে, যা আপনি
লিখে কোন তৃতীয় পক্ষের সাইটে পাবলিশ
করেন।
এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার সবচেয়ে
সহজ
পদ্ধতি হলো এমন সব উন্নতমানের কন্টেন্ট
তৈরি করা যা অন্যরা তাদের পাঠকের
সাথে শেয়ার
করবে। অন্য উপায় হলো উচুমানের আকারে
গেস্ট টিউন করা আপনার সাইটের
বিষয়ের
উপর। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে
প্রস্তুত
হোন যা কঠিণভাবে পাবলিশের পূর্বে
ভোট
পরীক্ষিত হবে।
ইন্টারভিউ হলো এডিটোরিয়াল লিঙ্ক
পাওয়ার
আরেকটি পদ্ধতি।
৪। ব্রোকেন লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতিঃ
এখানে আরেকটি হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক
বিল্ডীং
পদ্ধতি যা অনেক কার্যকরি হয়। এখানে
আপনি
আসলে পাবলিশারকে সাহায্য করছেন
ব্রোকেন লিঙ্ক তৈরি করাতে, যা তাদের
পাঠকের জন্য সাহায্যকারী হবে। এখানে
তখনই
কাজ হবে যখন আপনার কন্টেন্ট হারিয়ে
যাওয়া
কন্টেন্ট থেকেও অনেক শক্তিশালি হবে।
এই কাজের জন্য কোন সাইটের এমন
ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের করতে হবে যা
আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এরপর আপনি ব্রোকেন লিঙ্ক নিয়ে
ওয়েবমাস্টারের সাথে যোগাযোগ করে
সুপারিশ করবেন যে আপনার সাইট বিকল্প
এই
ব্রোকেন লিঙ্ক এর। আরো জানতে মজ
ব্লগ থেকে broken link-building Bible পড়ুন।
৫। Link Reclamation
এটি আপনাকে ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের
করে ফ্রেশ লিঙ্ক পেতে সাহায্য করবে
এবং
পাবলিশারকে দিয়ে এগুলো সমাধান
করাবে।
উদাহরণঃ
আপনার সাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা
ব্র্যান্ড
খুজে বের করুন, এবং পাবলিশারকে লিঙ্ক
যোগ
করতে বলুন।
এমন জায়গা খুজে বের করুন যেখানে
আপনার
কন্টেন্ট এট্রিবিউশন ছাড়া ব্যবহার করা
হয়েছে,
এবং সেই ব্যক্তির নিকট লিঙ্ক
রিকুয়েস্ট করুন।
একে স্বয়ংক্রিয় করতে আপনি Google Alert
চালু
করতে পারেন, যখনই আপনার কোম্পানি
নাম
উল্লেখ করবে তা ইমেইল করে জানানোর
জন্য। এর পর আপনি চেক করে দেখতে
পারেন তারা আপনার সাইটের সাথে
লিঙ্ক
দিয়েছে কি না।
৬। লিঙ্ক আউটরিচঃ
এটি অনেকটা “old school” এর মত কিন্তু
এখনো অনেক শক্তিশালি। এটি করতে এমন
ওয়েবসাইট বের করুন যা আপনার
ওয়েবসাইটের
সাথে প্রাসঙ্গিক, এবং তাদের সাইট
থেকে
তাদের যোগাযোগ এর তথ্য সংগ্রহ করুন।
তাদেরকে কল করুন বা ইমেইল করে
ভদ্রভাবে লিঙ্ক এর জন্য বলুন। এটা ভালো
কাজ
করে যদি তাদের ব্যবসা আপনার ব্যবসা
থেকে
কিছুটা আলাদা হয় কিন্তু একই পাঠক
শেয়ার করা যায়।
৭। প্রতিদ্বন্ধি বিশ্লেষণ করাঃ
এটা নতুন কিছু নয়। কোম্পানিরা তাদের
প্রতিদ্বন্ধির
ওয়েবসাইট অনেক বছর থেকে গবেষণা
করে আসছে। অধিকন্তু প্রতিদ্বন্ধির
সাইটের
ব্যাকলিঙ্ক এবং ম্যানুয়ালি রিভিউ করা
যেসব লিঙ্ক রাখা
অনেক মূল্যবান। এরপর আপনি লিঙ্ক
আউটরিচ
করতে পারেন একই সাইট থেকে লিঙ্ক
পাওয়ার
চেষ্টা করতে পারেন।
৮। কী-ওয়ার্ড রেঙ্কিং এর পরিবর্তে ROI

মনযোগ দেয়া
যদিও আমরা সবাই সার্চ রিজাল্ট
রেঙ্কিং এ কী-
ওয়ার্ড এর ফল উপভোগ করি এর দ্বারা
এটা প্রমাণ
হয়না যে আপনার SEO সফল হয়ে গেছে।
অনেক কী-ওয়ার্ডের জন্য এটা সম্ভব কোন
ROI না থাকা সত্ত্বেও নাম্বার এক এ
যাওয়া।
আপনাকে সেই মেট্রিক্স এ মনযোগ দিতে
হবে যা কনভার্সেষন আনে।
৯। একটি SEO কৌশল তৈরি করুন যা
শ্রোতাকে ম্যাপ
করবেঃ
গত কয়েক বছর ধরে আমরা গুগল এনালিটিক

অন্যান্য টুল থেকে অধিকাংশ কীওয়ার্ড
হারিয়ে
ফেলেছি। এর জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে
SEO এর পুরণো সিস্টেম থেকে বেরিয়ে
এসে শ্রোতাকে আকর্ষিত করার নতুন
পদ্ধতি
বের করা।
এর জন্য আমাদের অবশ্যই নতুন কী-ওয়ার্ডে
মনযোগী হতে হবে। নতুন পদ্ধতিতে
মার্কেটারদের প্রতিবেশি করা, এবং বের
করা
কোথায় SEO দিয়ে আমাদের মার্কেটিং
সফল
হচ্ছে এবং কীভাবে একে আরো ভালো
করে তোলা যায়।
বাজে কন্টেন্টে কী-ওয়ার্ডের গাদাগাদি
করে
একে রেঙ্কে রাখার দিন অনেক আগেই
ফুরিয়েছে। এখন আপনার কন্টেন্ট এর জন্য
জরুরী এর টার্গেট করা ব্যক্তিরা,
কীওয়ার্ড
হতে হবে কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক।
এজন্যই বলা হয় কন্টেন্ট ও SEO একে
অন্যের সাথে বাঁধা।
১০। Yahoo, Bing ও অন্যান্যের জন্য
অপটিমাইজ
করা
Yahoo, Bing, এবং DuckDuckGo এর মত সার্চ
ইঞ্জিনরা কম কম করে গুগলের অনেক বড়
টুকরো ২০১৬ তে নিয়ে নিতে পারে। Yahoo
হলো ফায়ারফক্সের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন,
Safari
গুগলের সাথে ডিল করে যা মনে করা
হচ্ছে
২০১৬ তে শেষ হয়ে যাবে। এবং ইয়াহু ও
বিং
চাচ্ছে এখানে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন
হওয়ার জন্য।
যেহেতু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুগলের
পরিবর্তে ডিফল্ট হয়ে যাচ্ছে তাই সেইসব
সার্চ
ইঞ্জিনের জন্যও অপটিমাইজ করা
বুদ্ধিমানের কাজ
হবে।
১১। মোবাইল SEO
মোবাইল প্রতি বছর আরো বেশি জনপ্রিয়
হয়ে
উঠছে, ২০১৬ বা এর পরে অবশ্যই প্রতিটি
ওয়েবসাইটের মোবাইলের জন্য আলাদা
কৌশল
থাকতে হবে।
মোবাইল হতে হবে ২০১৬ এর SEO
পরিকল্পনার
এর সিংহঅংশ। তবে আপনাকে সতর্ক হতে
হবে
যেহেতু কনফিগারেশন এরর এর জন্য ৬৮ ভাগ
ট্রাফিক লস হয়।
উপসংহারঃ
SEO কৌশল তৈরি আপনার কোম্পনি ও
ব্র্যান্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে উন্নতি দিতে
পারে,
কেন আপনার ROI আজই উন্নত করছেন না?