Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts

14 August 2015

হার্ডডিস্ক স্থায়ী রাখার ৫ উপায়। এবার হার্ডডিস্ক থাকবে যুগের পর যুগ

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অনেক সময়ই একটি কমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং তা হচ্ছে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ ফেইলর সমস্যা। এই সমস্যাটির কারণে অনেকে অনেক প্রকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অনেক ক্ষেত্রেই জমিয়ে রাখা বিলুপ্ত প্রায় কালেকশন হারিয়ে ফেলেন। এটা মূলত নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উপর। আর সমস্যার গভীরতাও মূলত নির্ভর করে কম্পিউটারটি দিয়ে ঠিক কী কাজ করা হয় তার উপরে। এখন ধরুন, একটি অফিশিয়াল কম্পিউটারে এক রকমের তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং পার্সোনাল কম্পিউটারে ভিন্ন রকম তথ্য। তবে দুই ক্ষেত্রেই কমন ফ্যাক্ট হচ্ছে সমস্যা! ইলেকট্রিক ডিভাইস মানেই একটা সময় এসে এর লাইফ স্প্যান শেষ হয়ে যাবেই। যদিও, একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের ক্ষেত্রে গড়ে ৩ লাখ ঘন্টা ধরে নেয়া হয় তবে এই লাইফ স্প্যান সব ক্ষেত্রেই খাতা কলমের হিসেবেই থাকবে সেটা ভেবে নেয়া ভুল। যাই হোক, আমরা এই সমস্যা এড়াতে বা হার্ড ড্রাইভের লাইফ কিছুটা এক্সটেন্ড করতে সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারি। আজকে সেই সহজ পদ্ধতিগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। চলুন, শুরু করা যাক।

খেয়াল করুন, হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের সমস্যা বেশি মাত্রায় দেখা যায় ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে, তাই এখানকার পয়েন্টগুলো বেশির ভাগই ডেস্কটপ কম্পিউটারকে ঘিরেই লেখা। যদিও, অনান্য পয়েন্টগুলো ল্যাপটপের হার্ড ড্রাইভের লাইফ এক্সপান্ডের ক্ষেত্রে সমান ভাবেই কাজে আসবে।

১। ভালো মানের সার্জ প্রোটেকশন সম্বলিত একটি ইউপিএস কিনতে চেষ্টা করবেন। সার্জ প্রোটেকশন মূলত বাড়তি পাওয়ারকে কনট্রোল করে এবং আপনার ডিভাইস পর্যন্ত সেই এক্সেসিভ পাওয়ারকে পৌছাতে দেয় না। এর ফলে ঝড়-বৃষ্টির দিনে বজ্রপাত বা খারাপ পাওয়ার সোর্স থেকে আপনার কম্পিউটার তথা হার্ড ড্রাইভকে সুরক্ষিত রাখবে। এক্সেসিভ পাওয়ার হার্ড ড্রাইভের ফাস্ট এবং কমপ্লিট ফেইলরের জন্য দায়ী। এছাড়াও, ইউপিএস থাকার ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও আপনি ম্যানুয়ালি নিরাপদভাবে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ করতে পারবেন। ফলে শুধু হার্ড ড্রাইভই নয় বরং আপনার কম্পিউটারের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্টগুলোও সুরক্ষিত থাকবে।

     হার্ডডিস্ক স্থায়ী রাখার উপায়

২। লং-টার্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার উচিৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আপনার কম্পিউটারটি রাখা। অন্তত এরকম যেন না হয় যেন হঠাৎ হঠাৎ আপনার সেই রুমটির তাপমাত্রা অস্বাভাবিক আকারে পরিবর্তন হচ্ছে। এছাড়া, খেয়াল রাখবেন এয়ার ভেন্টগুলোর সামনে যেন অবশ্যই কোন প্রকার অবস্টাকল না থাকে। ডেস্কটপের এয়ার কুলার সিস্টেম বেশ বড় এবং খোলামেলা হলেও ল্যাপটপ এর ক্ষেত্রে ছোট্ট এয়ার ভেন্ট থাকায় ল্যাপটপের ক্ষেত্রে বিশেষ খেয়াল রাখা উচিৎ।

৩। খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন আমাদের কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমে পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ফিচার রয়েছে। এগুলো অনেকেই অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, কিন্তু এগুলো মোটেও অপ্রয়োজনীয় নয়, বরং এগুলোর মাধ্যমেই আপনার কম্পিউটারটি তথা হার্ড ড্রাইভটি স্লিপ মোডে যাবে বা হাইবারনেট হবে তা নির্ধারন করা হয়। তবে আপনি যদি কাজ শেষে সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার বন্ধ করে রাখতে পারেন তবে সবচাইতে ভালো হয়। আর রাতে কাজ শেষে সম্পূর্ণভাবে শাটডাউন করার অভ্যাসটা তৈরি করে নেয়াটাই শ্রেয়।

৪। এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খেয়াল রাখা উচিৎ। কম্পিউটারে কানেক্ট করার সময় অতিরিক্ত সাবধানতা বজায় রাখা, সেইফলি হার্ড ড্রাইভটি রিমুভ করা – ইত্যাদি সহজ কাজগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভের লাইফ কিছুটা হলেও এক্সটেন্ড করতে পারবেন।

৫। মাঝে মধ্যেই ড্রাইভ মনিটর করা উচিৎ। ডিফ্র্যাগমেন্ট, ডিস্ক এরর চেকিং ইত্যাদি আপনার হার্ড ড্রাইভের লাইফ এক্সটেন্ড করতে সাহায্য করবে।

এই ছিল আজকের আয়োজন। উপরের পদ্ধতিগুলো সব ক্ষেত্রেই আপনার হার্ড ড্রাইভের লাইফ হয়তো এক্সটেন্ড করতে পারবেনা কিন্তু আপনার হার্ড ডিস্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে অবশ্যই।

10 July 2015

আপনার পিসির CD/DVD ROM কাজ করছে না ?? কি আর করা !! এদিকে আসেন, ঠিক করে দিই।…

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি ভাল আছেন।
আজকে আমার এই টিউন টায় থাকছে কিভাবে কাজ না করা Cd Rom ঠিক করা যায়।
অনেক কম্পিউটারের অতি পরিচিত সমস্যা হল CD/DVD ROM কাজ না করা । যাদের এই প্রবলেম আছে, তারাই কেবল এর মজা (!!) উপলব্ধি করতে পারেন ।

তাহ লে আর দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের এই মজার।টিউনটি।

যদি CD/DVD ROM-এ প্রবলেম না থাকে, অর্থাৎ ওটা যদি নষ্ট না হয়, তবে এই সমস্যা সমাধান করা যায় ।

দেখিয়ে দিচ্ছি পদ্ধতিটাঃ

1. Ctrl+R চেপে Run, এরপর regedit লিখে OK করুন ।

2. HKEY_LOCAL_MACHINE-কে collapse করুন ।

3.  এরপর System-কে collapse করুন ।

4. এরপর Current Control Set

5. এবার control..

6. এবার Class.

7. এবার {4D36E965...............} তে ক্লিক করুন ।

8. এবার ডানপাশে Lower Filters-এ রাইট ক্লিক করে delete করে বেরিয়ে আসুন ।

9. computer রিস্টার্ট দিন । আশাকরি এরপর আর সমস্যা হবে না ।সব কিছু ঠিক ঠাক চলবে।

৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর পার্থক্য কি??

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন?আশা করি ভাল আছেন।
আজকে আমাদের এই টিউনটাতে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে তা হল,আমরা অনেকে কম্পিউটার এ 32Bit & 64 Bit ব্যবহার করি।আজকে আমরা যানব ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট এর পার্থক্য কি?

32bit Win7
কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় ৩২ বিট আর ৬৪ বিটের নাম শুনেছেন। ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর জন্য আলাদা আলাদা প্রসেসর, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়ার, আর ড্রাইভার আছে। তবে নতুনদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই ৩২ বিট আর ৬৪ বিট কি। এদের মধ্যে পার্থক্য কি, কি জন্য ব্যবহার করা হয় বা নিজের কম্পিউটারটি কত বিটের তা কিভাবে চেক করবেন তাও অনেকের অজানা। এটি নিয়েই আমার পোষ্টটি লেখা। এখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেস্টা করছি।
৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে Kernel Patch Protection
অনেক বেশি শক্তিশালী হয় ৬৪ বিটে। Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিটে উইন্ডোজ Digital Sign Broken কে অনুমোদন করে না।

৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।

৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজ করলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।

৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।

৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। RAM
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।
যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphics আর Multimedia’র জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান।
আশাকরি কারো মনে আর এই প্রশ্ন থাকবে না যে -৩২বিট আর ৬৪বিটে পার্থক্য কি বা ৩২বিট নাকি ৬৪বিট কোনটা ভাল।
আপনার পিসিটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট?
আগেই বলেছি ৬৪বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করার জন্য ৬৪বিট প্রসেসরই ব্যবহার করতে হয়। তবে ৬৪বিট প্রসেসর থাকলেও আপনি ৩২বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে পারেন। তাই প্রশ্ন জাগে নিজের অপারেটিং সিস্টেমটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট। এটা বলা যায় আমরা সাধারণত ৩২বিটই ব্যবহার করে থাকি। কারণ আমরা মনেকরি ৬৪বিট আর ৩২বিট একই। তাই আমাদের বাজারে যা পাওয়া যায় তার বেশির ভাগই ৩২বিট।
আপনারটি চেক করার জন্য My Computer>Properties>General এ যান যাকে আমরা My Computer Properties বা System Properties বলে থাকি। ওখানে আপনি দেখবেন আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন, কত ভার্সন এবং তা কত বিটের। আপনর পিসি কত র‍্যযাম ব্যবহার করছে তাও ওখানে দেখতে পাবেন। যদি বিট দেখতে না পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনি ৩২বিটই ব্যবহার করছেন। ৬৪ হলে তা অবশ্যই প্রদর্শিত হবে। কিন্তু ৩২বিট হলে তা ভার্সনভেধে প্রদর্শিত নাও হতে পারে।

04 July 2015

হঠাৎ মাউস নষ্ট হয়ে গেলে যা করবেন।

টাইটেল দেখেইত মনে হয় বুঝে গেছেন যে কি নিয়ে আলোচনা কররা হবে। তাহলে বেশি কথা না বললে কাজের কথাই আসি।

হঠাৎ করেই মাউস নষ্ট হলে কি করবেন?
যেনে নিন এখন প্রায় সময়ই দেখা যায়
মাউসে সিঙ্গেল ক্লিক করলে ডাবল
ক্লিক লেগে যায়, আবার অনেক সময়
দেখা যায় দুই তিনটা ক্লিক করলেও
ঠিক মতো ক্লিক লাগেনা। আজকে আমি
আপনাদের দেখাবো জরুরী মূহুর্তে এই
ধরনের সমস্যা হলে মাউস বাদ দিয়ে
কিভাবে কিবোর্ড কেই মাউসে
রূপান্তরিত করে কাজ চালিয়ে যাবেন।
তাহলে চলুন কথা না বারিয়ে
কাজে লাগে পরি।
প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড
থেকে Num Lock, of করে রাখুন। এবার
কিবোর্ড থেকে এক সাথে Alt +shift+num
Lock চাপুন। এবার দেখুন নিচের চিত্রের
মতো একটি মেসেজ আসবে, নিচের চিত্র
দেখুন।
এবার tab বাটন চেপে yes সিলেক্ট করে
এন্টার চাপুন পুরো বিষয়টা উপরের
চিত্রের মতো হবে। এবার কিবোর্ড এর
num Lock, on করুন, এবার num lock এর
অন্তর্ভুক্ত থাকা বাটন গুলো চাপ দিয়ে
দেখুন আপনার কিবোর্ডটি মাউসে
রূপান্তরিত হয়ে গেছে।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই কথা হবে পরবর্তী
টিউনে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো
থাকবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ

29 May 2015

প্রোডাক্ট নাম দিয়ে মাত্র 2 মিনিটে QR কোড তৈরী করুন আপনি নিজেই। (খুবই সহজ কাজ)

লাম জানিয়ে শুরু করলাম মজার ও সুন্দর একটি টিউন। আজকের টিউন QR কোড নিয়ে। QR কোডটা কি আসলে আমি নিজেই পুরোপুরি এখনও বুঝিনা। তবে এতটুকু বলতে পারি যা দেখে আশা করি বুঝে ফেলবেন। খেয়াল করছেন কি না একটু মনে করতে চেষ্টা করুন যে, অনেক সময় আমরা বিভিন্ন কোম্পানী তাদের প্রোডাক্টের নিচে জালি (নেট) এর মত কতগুলো কালো বক্স দেখতে পাই। মূলত ওটাই হলো তাদের প্রোডাক্ট নামের বা সিরিয়াল কোডের QR কোড। নিচে দুইটা ছবি দেখুন আশা করি বুঝে ফেলবেন.................
জিনিসটা কি আশা করি এতক্ষনে বুঝে ফেলেছেন। উপরে যা দেখতেছেন এগুলো এমনি এমনি কিছু নয় বরং এগুলোই হলো কোম্পানীগুলোর বিভিন্ন প্রাইজ, সিরিয়াল, প্রোডাক্ট নাম এর QR কোড। । তো এবার শুরু করা যাক কিভাবে আপনি আপনার প্রোডাক্টের নাম দিয়ে QR কোড তৈরী করবেন।এ কাজটি করতে প্রথমে এখানে ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন......................
বার টেক্সট বক্সে আপনার প্রোডাক্টের নাম লিখুন এবং ডান পাশের download এ ক্লিক করুন আর দেখুন আপনার QR কোডটি ডাউনলোড হয়ে গেছে। কি বলেন, কাজটা খুবি সিম্পল না??????????? তাহলে আজকের মত বিদায়, সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্রাহ হাফেজ।

23 May 2015

বন্ধুরা দেখে নিন রান কমান্ডের ১১০ টি সহজ ব্যাবহার

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছো বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও তোমাদের দোয়ায়  ভালই আছি। আজ তোমাদের দেখাব রান কমান্ডের ১১০ টি ব্যাবহার । তোমার  কম্পিউটারের যেকোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে  রান বক্সের ভিতর নিচের কমান্ডগুলো প্রয়োগ করুন তারপর Enter চাপুন। সকল কমান্ড উইন্ডোজ ৭ এ কাজ না করলেও এক্স পি তে কাজ করবে।

একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস – access.cpl

একসেসিবিলিটি উইজার্ড – accwiz

এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl

এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl

এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস – control admintools

অটোমেটিকস আপডেট – wuaucpl.cpl

ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড – fsquirt

ক্যালকুলেটর – calc

সার্টিফিকেটস – certmgr.msc

ক্যারেকটার ম্যাপ – charmap

চেক ডিক্স (ডস) – chkdsk

ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার – clipbrd

কমান্ড প্রোম্পট – cmd

কম্পোনেন্ট সার্ভিস – dcomcnfg

কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট – compmgmt.msc

কন্ট্রোল প্যানেল – control

ইউজার একাউন্টস – control userpasswords2

ডেট এন্ড টাইমস – timedate.cpl

ডি.ডি.ই শেয়ার্স – ddeshare

ডিভাইস ম্যানেজার – devmgmt.msc

ডাইরেক্ট এক্স – dxdiag

ডিক্স ক্লিনআপ – cleanmgr

ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট – dfrg.msc

ডিক্স ম্যানেজমেন্ট – diskmgmt.msc

ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার – diskpart

ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – control desktop

ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – desk.cpl

ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ – drwtsn32

ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার – verifier

ইভেন্ট ভিউয়ার-eventvwr.msc

ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সেফার টুল – migwiz

ফাইল সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন টুল – sigverif

ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl

ফোল্ডার প্রোপার্টিস – control folders

ফন্টস – control fonts

ফন্টস ফোল্ডার – fonts

গেম কন্ট্রোলারস – joy.cpl

গ্রুপ পলিসি এডিটর – gpedit.msc

হেল্প এন্ড সাপোর্ট – helpctr

হাইপারটার্মিনাল – hypertrm

আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড – iexpress

ইনডেক্সসিং সার্ভিস – ciadv.msc

ইন্টারনেট কানেক্‌শন উইজার্ড – icwconn1

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – iexplore

ইন্টারনেট প্রোপার্টিস – inetcpl.cpl

কীবোর্ড প্রোপার্টিস – control keyboard

লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস – secpol.msc

লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপস – lusrmgr.msc

উইন্ডোজ লগঅফ – logoff

মাইক্রোসফট চ্যাট – winchat

মাইক্রোসফট মুভি মেকার – moviemk

এমএস পেইন্ট – mspaint

মাইক্রোসফট সিনক্রোনাইজেশন টুল – mobsync

মাউস প্রোপার্টিস -control mouse

মাউস প্রোপার্টিস – main.cpl

নেট মিটিং – conf

নেটওয়ার্ক কানেকশনস – control netconnections

নেটওয়ার্ক কানেকশনস – ncpa.cpl

নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড – netsetup.cpl

নোটপ্যাড – notepad

অবজেক্ট পেজ মেকার – packager

ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর – odbccp32.cpl

অন স্ক্রিন কীবোর্ড – osk

আউটলুক এক্সপ্রেস – msimn

এমএস পেইন্ট – pbrush

পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস – password.cpl

পারফরমেন্স মনিটর – perfmon.msc

পারফরমেন্স মনিটর – perfmon

ফোন এন্ড মডেম অপশনস – telephon.cpl

ফোন ডায়ালার – dialer

পাওয়ার কনফিগারেশন – powercfg.cpl

প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স – control printers

প্রিন্টারস ফোল্ডার – printers

রিজিউনাল সেটিংস – intl.cpl

রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit

রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit32

রিমোট একসেস ফোনবুক – rasphone

রিমোট ডেক্সটপ – mstsc

রিমুভাল স্টোরেজ – ntmsmgr.msc

রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট – ntmsoprq.msc

রেজাল্টেন্ট সেট অপ পলিসি – rsop.msc

স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা – sticpl.cpl

শিডিউল টাস্ক – control schedtasks

সিকিউরিটি সেন্টার – wscui.cpl

সার্ভিসেস – services.msc

শেয়ার্ড ফোল্ডার – fsmgmt.msc

উইন্ডোজ শার্ট ডাউন করা – shutdown

সাউন্ডস এন্ড অডিও – mmsys.cpl

সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর – sysedit

সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি – msconfig

সিস্টেম ইনফোমেশন – msinfo32

সিস্টেম প্রোপার্টিস – sysdm.cpl

টাস্ক ম্যানেজার – taskmgr

টিসিপি টেষ্টার – tcptest

টেলনেট ক্লাইন্ট – telnet

ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার – nusrmgr.cpl

ইউটিলিটি ম্যানেজার – utilman

উইন্ডোজ এড্রেস বুক – wab

উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইমপোর্ট ইউটিলিটি – wabmig

উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার – explorer

উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল – firewall.cpl

উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার – magnify

উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট – wmimgmt.msc

উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার – wmplayer

উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার – msmsgs

উইন্ডোজ সিস্টেম সিকিউরিটি টুলস – syskey

আপডেট লাঞ্চ – wupdmgr

উইন্ডোজ ভার্সন – winver

উইন্ডোজ এক্সপি টুর – tourstart

ওয়ার্ড প্যাড – write

নিচের ছবিটি দেখুন

21 May 2015

তোমার কম্পিউটারের কি-বোর্ড এর বাটন কি নষ্ট? তাহলে এই পোষ্টটি তোমার জন্য!!!!

বন্ধুরা কেমন আচ্ছো সবাই ? আশা করি ভালোই আচ্ছো আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি, যাইহোক বন্ধুরা আজ আমি তোমাদের সাথে আলোচনা করব কম্পিউটারের কী বোর্ড এর একটি সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে । তাহলে চলুন শুরু করি আমাদের আজকের আলোচনা । বন্ধুরা আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তাদের অনেক সময় একটি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো হঠাত করে কম্পিউটারের কোন কোন কী বা কোন একটি কী কাজ না করা । দেখা যাচ্ছে আপনি কোন একটি গুরত্বপুর্ণ বিষয় লিখছেন হঠাত দেখছেন আপনার এই মুহুর্তে যে কী টা প্রয়োজন সে কী টা কাজ করছে না অথচ এই মুহুর্তে আপনার ঐ কাজটি করতেই হবে কি করবেন তখন ? নিশ্চয় আপনার আশে পাশে কারও কম্পিউটার আছে কিনা সে খোজ নেওয়া শুরু করবেন, না হয় ততক্ষনাত চলে যাবেন একটি নতুন কীবোর্ড আনার জন্য দুরের কোন কম্পিউটার এর দোকানে, কারণ যে ভাবেই হোক এখনি আপনার ঐ কাজটি সম্পূর্ণ করতেই হবে । আর যদি আপনি কম্পিউটারে একটু দক্ষ হন তাহলে কম্পিউটারের ডিফল্ট কীবোর্ড টি ব্যবহার করবেন যা পাওয়া যাবে কম্পিউটারের রান(RUN) অপশন চালু করে osk লিখে ইন্টার চাপলে, রান অপশন আনার জন্য উইন্ডোজ কী চেপে ধরে রেখে R চাপতে হবে ।  আর এই কী বোর্ড ব্যবহার করে লেখা লেখি করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । তাই আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরব এমন একটি সফটওয়্যার যা  এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে । সফটওয়্যার টির নাম হল  sharpkeys . সফটওয়্যার সাইজ মাত্র ৪৭৫ KB ।  এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে আপনি নষ্ট কোন কী কে ভালো কোন কী দ্বারা পরিবর্ত্ন করতে পারবেন ।
এবার চলুন দেখেনি
এই সফটওয়্যারটিতে কাজ করবেন কিভাবেঃ-
মনে করুন আপনি এখন B অক্ষরটি লিখবেন কিন্তু আপনার কীবোর্ডে B এর জন্য যে বাটনটি আছে তা কাজ করছে না তখন আপনি  sharpkeys সফটওয়্যারটি ওপেন করবেন, তারপর দেখুন  from key নামক একটি অপশন আছে সেখানে অন্য কোন একটি কী চাপুন যেটা ভালো আছে( অবশ্যই সেই কী টি চাপবেন যেটা সচরাচর ব্যবহার করা হয় না) তারপর To key তে নষ্ট কী টি অর্থাৎ B কী টি চেপে OK বাটনে ক্লিক করুন । এবার দেখুনা আপনার দেওয়া কী তি চাপলে B লেখা হচ্ছে ।
সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে ।

আজ এই পর্যন্ত আবার দেখা হবে পরের টিউনে ইন শা আল্লাহ , আল্লাহ হাফেজ ।

13 May 2015

জেনে নিন কম্পিউটার হার্ডওয়ার সম্পর্কে না জানা কিছু তথ্য



বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সাথে কম্পিউটার হার্ডওয়ার সম্পর্কিত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা প্রত্যেক কম্পিউটার ব্যবহার কারীর জানা প্রয়োজন । তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে মুল আলোচনা শুরু করি ।

১) আপনার কম্পিউটারে কত দিন আগে বা কত তারিখে উইন্ডোজ দেওয়া হয়েছে ?

হা বন্ধুরা আমি এখন আপনাদের কে জানাতে চাই যে আমরা আমাদের কম্পিউটারে কত দিন আগে বা কত তারিখে শেষ উইন্ডোজ দিয়ে ছিলাম তা আমাদের জানা থাকে না বা থাকার কথাও না কিন্তু খুব সহজেই আমরা সে তথ্যটি বের করতে পারি ।

কি করতে হবে?

প্রথমে আপনার কম্পিউটারে Run অপশন চালু করুন অথবা কীবোর্ড থেকে উইন্ডোজ কী চেপে ধরে রেখে R চাপুন তাহলে Run অপশন চলে আসবে তারপর সেখানে CMD লিখে Enter চাপুন, তারপর যে অপশনটি আসবে সেখানে System Info লিখুন তারপর আবার Enter চাপুন, খেয়াল করুন আপনার কম্পিউটার সম্পর্কিত অনেক গুলো বিষয় এখানে দেখা যাচ্ছে যা আপনি এত দিন খুজে এসেছেন , সেখান থেকে আপনার কম্পিউটারটি কবে বা কত তারিখে শেষ ইন্সটল করা হয়েছে তা দেখার জন্য চোখ রাখুন Original Install Date এ, যার ডান পাশেই আপনার কাংক্ষিত প্রশ্নের উত্তরটি রয়েছে ।

২) কম্পিউটারের  USB পোর্ট অকেজ করবেন কি ভাবে ?

বন্ধুরা এবার আমি দেখাব আমাদের কম্পিউটারের যে USB পোর্ট গুলো আছে তা কিভাবে ব্লগ করব যেন কেও কোন পেন্ড্রাইভ ব্যবহার করতে না পারে ।

কি ভাবে করবেন ?

প্রথমে আপনার কম্পিউটারের My Computer আইকোনের উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করুন তারপর দেখুন Manage নামক একটি অপশন আছে সেখানে ক্লিক করুন, তারপর যে অপশনটি এসেছে সেখান থেকে Device Manager এ ক্লিক করুন, এবার দেখুন ডান পাশে অনেক গুলো অপশন দেখা যাচ্ছে সেখান থেকে নিচের দিকে এসে দেখুন লেখা আছে  Universal Serial Bus controllers তার উপরে দুই বার ক্লিক করুন, এবার দেখুন বেশ কিছু অপশন দেখা যাচ্ছে যে গুলোর ভেতরে USB Root নামক অপশন ও আছে যে গুলো আপনার কম্পিউটারের USB Port। এখন আপনি যে পোর্টটি ব্লগ করতে চান তার উপরে রাইট বাটন ক্লিক করে Disable ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ঐ পোর্টটি অকেজ হয়ে যাবে, পরবর্তীতে আবার চালু করতে চাইলে শুধু পোর্টটি  Enable করে দিলেই কাজ হবে ।

09 May 2015

TeraCopy Pro 2.3 ফুল প্রফেশনাল ভার্সন Registration Key সহ ডাউনলোড করুন….এতে Copy/move তারাতারি হবে


আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন সবাই,
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি  TeraCopy Pro 2.3 ফুল প্রফেশনাল ভার্সন Registration Key সহ সবার সাথে শেয়ার করব । TeraCopy Pro 2.3 ফুল প্রফেশনাল ভার্সন Registration Key সহ ডাউনলোড করুন..

TeraCopy সম্পকে সবাই জানেন । TeraCopy Pro হল TeraCopy এর প্রফেশনাল ভার্সন । এতে কিছু বিশেষ ফিচার আছে ।তা পোস্ট এর নিচে দিলাম । এতে Copy/move তারাতারি হবে ।

ইনস্টল এর ধাপ:

১. TeraCopy Pro 2.3 Full With Registration Key ডাউনলোড করুন ।

২. ডাউনলোড করা ফাইল Winrar বা 7zip দিয়ে Extract করান ।

৩. Teracopy ইনস্টল করুন ।

৪. Registration Key টি Copy করে Pate করান ।

TeraCopy Pro 2.3 ফুল প্রফেশনাল ভার্সন Registration Key সহ:

সাইজ: 2.52 MB

মিডিয়াফায়ার: Mediafire Link: ডাউনলোড করুন এখান থেকে

বা,

ড্রপবক্স লিংক: Dropox Link: ডাউনলোড করুন এখান থেকে

Registration Key হল (এটি Copy করে Pate করান):

LVUWAASAAAAASzphNveHKoAbe75spqDZIEt9omB6d5S8wyzKuq9rrKrQj4/Lkx8d

Bn5RnRi1RWoZf7P+Z6RB2BopwcAP6J2ItP7ax7mT+qo6r/8yCzoKVZJMaYW+eDt0

UeuOahk+U/70ghYR0CNgD1dncBwMt1xsaPmOhhIdAjnTGG2mIU9UioqciSg4r+DC

djS+eeBmiyZ9zWScAAK2oWySUEhh1Tc+t7f6lIIgNIrUHZOSwlO+tRzKHco5x4cR

HjjMZCOqQQ5ObwkVdxAjSXSu7DaLZBkeKvlHX9U73tPFPtlBFcYkDYi9TIWvmpDv

T3jdFMgSrhylhBfCVUHpWgLZiewdz28wbRbi1vluUtBB/hDOq+ZbHH6q9aXZFEhw

06nRJU7u6Vzgwq2S5Snmlc9y91+Y5keR

TeraCopy Pro এর কিছু ফিচার: *

The paid version of the program includes the following features:

Copy/move to your favorite folders.

Save reports as HTML and CSV files.

Select files with the same extension/folder.

Remove the selected files from the copy queue.

More features coming soon!