Showing posts with label ফ্রিল্যান্সিং. Show all posts
Showing posts with label ফ্রিল্যান্সিং. Show all posts

07 May 2015

ওডেস্ক এখন আপওয়ার্ক

মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্য ইন্টারনেটে কাজ দেওয়া-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ওডেস্ক-ইল্যান্সের নাম বদলে গেছে। এখন এর নাম হয়েছে আপওয়ার্ক (www.upwork.com)।
শুধু নামই নয়, সম্পূর্ণ নতুন ধরন নিয়ে এসেছে আপওয়ার্ক। ব্যাপক পরিবর্তনও আনা হয়েছে নতুন এ নেটওয়ার্কে। গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইল্যান্স-ওডেস্ক কর্তৃপক্ষ। আপওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান কারসিয়েল জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সিং জগতে নতুন একটি অধ্যায় সূচনা করতেই নতুনভাবে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে আপওয়ার্ক। নতুন নানা ধরনের সুবিধা যুক্ত হয়েছে এতে, যাতে মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আরও সহজে কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোও দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে পারবে।
ইতিমধ্যে ইল্যান্স-ওডেস্ক থেকে বছরে ১০০ কোটি ডলারের বেশি উপার্জন করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। আগামী ছয় বছরের মধ্যে আপওয়ার্কের মাধ্যমে এই আয় এক হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দেশের কাজদাতারা ইতিমধ্যেই ইল্যান্স-ওডেস্ক ব্যবহার করে বছরে প্রায় ৩০ লাখের বেশি কাজের ফরমায়েশ দিয়েছেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগের জন্য এই ওয়েবসাইটে কর্মী খুঁজেছেন ১০ কোটি বারেরও বেশি।
নতুন নামকরণকে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন স্টেফান। তাঁর মতে, এখন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নতুন কাজের সুযোগ বাড়বে। আপওয়ার্কের মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবন ও নতুনত্ব আনার মাধ্যমে অনলাইনে কাজের বাজার আরও প্রসারিত করার ব্যাপারে কাজ করে যাবে আপওয়ার্ক।
আপওয়ার্কে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতিটি সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত যোগাযোগ-সুবিধা ও আপওয়ার্কের নতুন ‘রিয়াল-টাইম কমিউনিকেশন’ বৈশিষ্ট্য নির্দিষ্ট কাজকে দ্রুত সম্পন্ন করার সুযোগও দিচ্ছে।
এ ছাড়া আপওয়ার্কের নতুন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সাইটের অনেক কাজ খুব সহজেই করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। থাকছে সরাসরি গ্রুপভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। আপওয়ার্ক ব্যবহারকারী না হলেও যোগাযোগের জন্য বিশেষ ‘চ্যাট টুলটি’ সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।

14 February 2015

আপনি কি স্টুডেন্ট? দেখুন কিভাবে একজন স্টুডেন্ট আয় করতে পারে প্রচুর টাকা!


সবাই কেমন আছেন? ভালোই থাকবেন আশা করি আজকে আমার আর্টিকেলটি একটু ভিন্ন পাশাপাশি এটিতে আমি বিশেষ কিছু কথা বলতে চাই। আমরা শতকরা ৭০% মানুষ মনে হয় এখন স্টুডেন্ট। তাই, বোঝাই যায় স্টুডেন্ট এর মাহাত্ত্ব কতটুকু (আমি নিজেও একজন স্টুডেন্ট)
টেক সম্পর্কিত বিষয়ে আমাদের অর্থাৎ স্টুডেন্টদেরই আগ্রহ সবচেয়ে বেশি বলে আমার মনে হয় তবে পকেটে পয়সা/টাকা না থাকলে এই আশা অনর্থক। কারণ, অনেকে এমনও আছেন যে প্রতি মাসে নেট বিলটাও যোগাড় করতে পারেন না। খুবই স্বাভাবিক কারণ সবার তো আর অঢেল টাকাপয়সা নেই। যাই হোক, এই কারনেই আমি আজ এমন কিছু উপায় বাতলে দিচ্ছি যেগুলো টাকা ইনকাম করতে আপনাদের সহায়তা করবে। ১। ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইনে আয় বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় এই শব্দটা মানে ফ্রিল্যান্সিং। কিন্তু, আমার জানামতে অনেকেই এই পেশায় আসতে চেয়েছেন কিন্তু দুরভাগ্য বশত ব্যর্থ হয়েছেন! এর কারণ কি? আসুন জানিঃ ফ্রিল্যান্সিং এর মুল অর্থ হচ্ছে মুক্ত পেশা। অর্থাৎ, আপনার কাজের কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই। তার অর্থ আবার এই না যে একেবাএই কোন নিয়ম নেই! টাকা আয় করতে গেলে কিছু নিয়ম অবশ্যই পালন করতে হয় তবে গৎবাধা কোন নিয়ম নেই। ফ্রিল্যান্সিং থেকে ধুমসে টাকা আসবেন আর আমরা পায়ের উপর পা তুলে সেটা নিয়ে নেবো তা কিন্তু নয় মূলত এটাই ফ্রিল্যান্সিং এর ব্যার্থতার মুল কারণ। আপনার যোগ্যতা থাকতে হবে, তাহলেই আপনি কাজ পাবেন+টাকা ইনকাম করবেন। এবং আপনি যে কাজ পারেন এটাই ফ্রিল্যান্সিং এ প্রমান করা মুল বিষয়! যদি একবার আপনি সফল অয়ে যান তাহলে অঢেল টাকা পয়সা আপনার পিছনে ছুটবে, আপনি টাকার পিছনে নয়! ২। জিনিসপাতি বিক্রয় না, আমি বিক্যউ ডট কমের অ্যাড দিচ্ছি না তবে, জিনিস্পাতি বিক্রয় করে তাকা আয় করাটা আসলেই অনেক মজার। কস্ট নেই, পরিশ্রমও নেই! মোবাইলটা পুরনো হয়েছে, ডেস্ক, টেবিল, চেয়ার, ল্যাপটপ বা এমন কিছু যা আপনার এখন আর দরকার নেই? চলে যান যেকোনো অনলাইন কেনা-বেচার সাইটে আর অ্যাড দিন। কয়েকদিন মধ্যে বিক্রয় হয়ে যাব নিশ্চিত! ৩। টিউশনি বিদ্যা দান মহৎ পেশা - ভুলে গেলে চলবে না! আপনি যদি কোন সাবজেক্টে এক্সপার্ট হন অথবা টিউশনি তে আগ্রহ থাকে তাহলে টিউশনি করার। ছাত্রদের শিক্ষা দান করবেন পাশাপাশি আয়ও করবেন! তবে ভুলে গেলে চলবে, এখন অনেকেই শুধু টাকার লোভে টিউশনি করার যেটা একদন ঘৃণ্য! একজন ছাত্রের সাথে কখনই শিক্ষা নিয়ে ব্যাবসা করা উচিত নয়, বেশিরভাগ টিচার শুধুই টাকার বিনিময়ে কোনরকম ছাত্রকে পড়িয়ে দিতে পারলেই বাচে! আমার চোখের সামনেই ভুরি ভুরি উধারন দেখি তাই এধরনের কাজ না করাই ভালো। তাহলে আজকে এই পর্যন্তই ছিলো আমার আর্টিকেল। কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না কিন্তু!