Showing posts with label সাবধানতা. Show all posts
Showing posts with label সাবধানতা. Show all posts

26 August 2015

হার্ডডিস্ক নিয়ে প্রতারণা চলছে


সস্তায় বহনযোগ্য কোনো হার্ডডিস্ক কিনছেন? দুই টেরাবাইট তথ্যধারণ ক্ষমতার বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক কেনার পর তাতে তথ্যধারণ ক্ষমতা দেখাতে পারে দুই গিগাবাইট। কারণ, এ ধরনের হার্ডড্রাইভের ভেতরে বসানো থাকতে পারে স্রেফ সাধারণ কোনো পেনড্রাইভ! সম্প্রতি এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে এবং তা নিয়ে ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনাও চলছে।
দেশের বাজারে বর্তমানে অনেক ধরনের ভুয়া হার্ডডিস্ক বিক্রি হচ্ছে বলেই দাবি করেছে প্রযুক্তিপণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স। প্রতিষ্ঠানটি এই বিষয়টিকে বলছে ‘রি-সার্টিফায়েড প্রতারণা’। হার্ডডিস্ক ক্রেতাদের ‘রি-সার্টিফায়েড’ সত্যায়ন দেখিয়ে ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল (ডব্লিউডি) এর ভুয়া হার্ডডিস্ক বাজারে বিক্রি করায় সম্প্রতি এ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগও নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রসঙ্গত, কম্পিউটার সোর্স ডব্লিউডি হার্ডডিস্কের অনুমোদিত পরিবেশক।
কম্পিউটার সোর্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন বাজারে মেয়াদ উত্তীর্ণ, পুরোনো, ব্যবহৃত ও ত্রুটিপূর্ণ হার্ডডিস্ক নতুন করে মোড়কজাত করে সাশ্রয়ী দামে বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও এ ধরনের ভুয়া হার্ডডিস্ক কিনে ক্রেতারা যাতে প্রতারিত না হন সে লক্ষ্যে প্রচার শুরু করেছে তারা। আসল ডব্লিউডি শনাক্ত করতে ও বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘বাই ৪৮’ হলোগ্রাফিক স্টিকার চালু করেছে।
দেশের বাজারে তোশিবা ও সিগেট ব্র্যান্ডের অনুমোদিত পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজির হার্ডডিস্ক বিভাগের পণ্য ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, বাজারে এখন বর্তমানে ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল, সিগেট ও তোশিবা এই তিনটি ব্র্যান্ড প্রচলিত আছে। অন্য ব্র্যান্ডগুলোর অস্তিত্ব নেই। বাজারে তাই অন্যান্য ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো পুনঃ বাজারজাত করে বিক্রি করা হয়। এ ধরনের হার্ডড্রাইভের পারফরম্যান্স ভালো হয় না। মোড়ক যতই চকচকে হোক বিক্রির সময় ক্রেতাকে ঠকানো হয়।

কম্পিউটার সোর্সের পণ্য ব্যবস্থাপক (ডব্লিউডি) মেহেদী জামান প্রথম আলোকে বলেন, ডব্লিউডি ছাড়াও অনেক ভুয়া হার্ডডিস্ক এখন দেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। অনুমোদিত চ্যানেলের বাইরে আনা অনেক পণ্যও এখন বাজারে পাওয়া যায়। এসব পণ্যে সাধারণত ওয়ারেন্টি ও অনুমোদিত পরিবেশকের স্টিকার থাকে না।
আসল হার্ডডিস্ক কেনার ক্ষেত্রে মেহেদি জামানের পরামর্শ হচ্ছে, হার্ডডিস্ক কেনার আগে প্যাকেজিং যাচাই করে দেখুন। তুলনামূলকভাবে দামের বিষয়টি বিবেচনা করে হার্ডডিস্ক কিনুন। ওয়েস্টার্ন ডিজিটালের ৫০০ জিবি হার্ডডিস্কের দাম তিন হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার ৬০০ টাকা আর এক টেরাবাইট দাম চার হাজার ৩০০ টাকার মতো। যদি হার্ডডিস্ক বাজারে অনেক সাশ্রয়ী দামে পান তবে সেটি ভুয়া কিনা তা পরীক্ষা করে দেখুন। আসল হার্ডডিস্কের সঙ্গে অনুমোদিত বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টিকার থাকে। পেছনে ‘রি-সার্টিফায়েড’ বা রিফার্বিস দেখা গেলে সেগুলো কিছুদিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। আসল হার্ডডিস্কে বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়া হয় যা ভুয়া হার্ডডিস্কের সঙ্গে থাকে না। এ ছাড়াও কিছুদিনের মধ্যে টোল ফ্রি নম্বর চালু করবে কম্পিউটার সোর্স। ওই নম্বরে কল দিয়ে পণ্য আসল না নকল তা জেনে নেওয়া যাবে|
মাহবুবুর রহমান বলেন, আসল হার্ডড্রাইভ কেনার আগে ওয়ারেন্টি স্টিকার ও অনুমোদিত পরিবেশকের স্টিকার দেখে পণ্য কিনুন।

তথ্য সূএঃ প্রথম আলো

24 July 2015

ব্যাতিক্রমি কিছু প্রতারনার ফাঁদ ! পড়ে জেনে নিন নিজে বাঁচুন, অন্যকেও বাঁচান।

প্রতিদিন আপনার সতর্কতার সাথে পাল্লা দিয়ে নিত্য নতুন প্রতারনায় প্রতারকের দল বদলে ফেলছেন তাদের প্রতারণার অভিনব সব কৌশল। প্রতিদিন ঠকছেন আপনি অথবা ঠকছে আপনার পরিচিত কেও, প্রয়োজনমত আপনি হয়ত বাড়াচ্ছেন আগামীর জন্য সতর্কতা ঠিক সেই মুহূর্তেই কোথাও না কোথাও প্রতারকের দল ছক কষছেন নতুন কোন প্রতারণার কৌশলে। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে নিত্যই নানারকম ডিজিটাল প্রতারণার মধ্যে ফেলছেন একশ্রেনীর প্রতারক। সতর্কতার জন্য আজ থাকছে এমনি কিছু অভিনব প্রতারণার কথা। সবসময় নিজে সতর্ক থাকুন, আপনজনদেরও নিরাপদ থাকুন।

১) বিক্রয় ডট কমে একটা অ্যাড দেখল ফারহান, ম্যাকবুক এয়ার ল্যাপটপ মাত্র ২৫০০০টাকা,দেখেই মাথা খারাপ।এত কম কেন?অ্যাডে আবার লেখা বিদেশ থেকে পাঠিয়েছে ব্যবহার করতে পারিনা বলে সেল করে দিচ্ছি।ফারহান ভেবে নিল অন্তত আর যাই হোক নষ্ট তো না, ইউজ করতে পারেনা বলে সেল করে দিচ্ছে। অ্যাডের নাম্বারে ফোন দিতেই এক সুকন্ঠি মেয়ে ফোন ধরে বলব বিদেশ থেকে গিফট দিয়েছে আঙ্কেল,ইউজ করা হয়না বলে কম দামে সেল করে দিবে।ফারহান আর অত চিন্তা করল না,তাকে বলে দিল সে নিবে। মেয়েটি জানাল মগবাজার থেকে কালেক্ট করতে হবে।ভালো লাগলে ক্যাশ টাকা দিতে হবে। খুশিতে বাগবাকুম হয়ে মগবাজার গেল। ল্যাপটপ তো দূর সাথে যা ছিল সব রেখে দিল সেই অ্যাড দেয়া ছিনতাইকারী দল।

২) সেল-বাজারে আইফোন ৫ এর অ্যাড দেখে ফোন দিল ওমর ফারুক। দাম অনেক কম মাত্র ১৬ হাজার। লোকেশন চট্টগ্রাম।এত কম দামে পেয়ে সাথে সাথেই ফোন।কথা হল সব কিছু ঠিক ঠাক। ৩০% টাকা এডভান্স বাকিটা এস এ পরিবহনে পণ্য পেয়ে।অ্যাডভান্স দিয়ে দিল। তারপর অ্যাড উদাও,নাম্বার অফ !আর আসেনি তার আইফোন ৫।

৩) রিক্সায় করে ফার্মগেট থেকে বসুন্ধরা সিটিতে শপিং করতে যাচ্ছিল সবুজ। হঠাত রিক্সাওয়ালা রিক্সা ওয়ালা নীরব এক জায়গাতে রিক্সা থামাল।ভয় পেয়ে গেল সবুজ। রিকশাওয়ালার শরীর কাঁপছে।লুঙ্গির কাছা থেকে একটা ছোট্ট প্যাকেট বের করে বলল এক মহিলা যাত্রী ফেলে গেছে এই গহনা টা। স্বর্ণের! ১ ভরীর উপরে হবে।রিক্সাওলা বলে কোন দোকানে সেল করতে পারব না।সবুজ কিনবে কিনা? যা দিবে তাই নেবে।দেখে আর না করতে পারলনা। পকেটে ১১ হাজার টাকা ছিল,সব দিয়ে কিনে নিল। ১১ হাজার টাকায় ৪৫ হাজার টাকার উপরে পাবে। শপিং তো হবেই সাথে একটা দামি মোবাইল ও নেয়া যাবে। বসুন্ধরা সিটি তে গিয়ে জুয়েলারি দোকানে এটার দাম জিজ্ঞেস করতেই সেলস ম্যান বলে দিল আমরা ইমিটিশন কিনি না !!!

৪) ফার্মগেটে হাঁটছে রাজীব।পথে একলোক দাড়া করিয়ে বল আমার কাছে ২০ ডলার আছে,আমি ড্রাগ নেই তাই ইমার্জেন্সি টাকা দরকার। মাত্র ৫০০টাকা দিলেই হবে। রাজীব ভাবল নিয়ে নেই বন্ধুর মানি একচেঞ্জ থেকে ক্যাশ করে নিব।লাভ হবে অনেক টাকা। ৫০০টাকায় নিয়ে নিল।জিজ্ঞেস করল আর আছে কিনা।লোকটা বলল এসব সাথে নিয়ে ঘুরল পুলিশ ধরবে,জানেন ই তো টানা মাল।এক বিদেশীরে পাইছিলাম,মালদার পার্টি। ফোন নাম্বার নিয়ে নিল রাজীব,বলল ওই ডলার যাতে কাউকে না দেয়,সব সে নিবে।ফোন করে জানালেই কত ডলার সে পরিমাণ টাকা নিয়ে আসবে।ওই ২০ ডলার ক্যাশ করে নিল,কোন সমস্যা হয়নি। পরের দিন ধার টার করে ২০০০০হাজার টাকার মত নিয়ে আসল, ৫০০ ডলার দিবে।এবার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে কারণ তার নেশা নাই এখন আর। রাজীব ভাবল তারপরেও প্রায় ডাবল লাভ।ফার্মগেট পার্কের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,লোকটার দেখা নেই,মনে মনে ভাবছে লোকটা বেচে দিল না। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর দূর থেকে লোকটাকে দেখা গেল।কাছে আসতেই একটা খাম ধরিয়ে বলল পুলিশ পিছনে পরছে তাই টাকা টা দিয়ে কেটে পরতে।রাজীব তাই করল। বাসায় আসার আগে খুলেও দেখেনি খামে কি আছে।কি আর হতে পারে একগাদা কাগজ ছাড়া !

৫)গাবতলি বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে কথা বলছে রাজু, বাসা থেকে ফোন দিয়েছে মা,মা জিজ্ঞেস করছে টাকা ঠিক ঠাক রেখেছে কিনা। সেও মাকে জানাল হা টাকা ঠিক আছে,সাবধানেই যাচ্ছে সে। যাবে আদাবর,বোনের বাসা,সেখান থেকে পরের দিন আইডিবি থেকে ছোট ভাইয়ের ল্যাপটপ কিনবে। একটু পরেই একটা মেয়ে আসল,টুকটাক কথা বার্তায় রাজু তাকে জানাল আদাবর যাবে,মেয়েটি বলল আমি ঢাকার তেমন কিছু চিনি না,যাব আঙ্কেলের বাসায়,বাসাটা শ্যামলীতে। কিভাবে যাব? রাজু প্রস্তাব দিল তার সাথেই যেতে। শ্যামলীতে এ নামিয়ে দিয়ে যাবে।মেয়েটা সামনের সিএনজি দেখেয়ে প্রস্তাব দিল সিএনজি তে যাবে এবং রাজুকে ভাড়া দিতে দিবেনা। হাসি মুখে রাজু মেনে নিল। ফলাফল দিনে দুপুরে পথে পিস্তল ধরে ব্যাগ,মানিব্যাগ, মোবাইল সহ যা যা ছিল রেখে নামিয়ে দিয়ে সি এনজি উধাও …।

৬) শফিক সাহেব বাসে করে অফিসে যাচ্ছেন হঠাত তার ফোনে অদ্ভুত নাম্বার থেকে কল আসল।বলা হল রবি কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি।আমাদের সিগনালে কিছু সমস্যা হচ্ছে,আপনার মোবাইল ঠিক মত সিগনাল ধরতে পারছেনা এতে এমন হতে পারে যে সেটের ব্যাটারি শর্টসার্কিট হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। আপনি দয়া করে আগামী ২ ঘণ্টা মোবাইল অফ করে রাখবেন।ভুলেও মোবাইল অন করবেন না। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। শফিক সাহেব অত কিছু না ভেবে মোবাইল বন্ধ করে দিলেন। কি দরকার অন রেখে বিপদে পরার। ওই দিকে উনার ওয়াইফের কাছে ফোন দিল কেউ,বলল শফিক সাহেবের বাস এক্সিডেন্ট করেছে। উনি ইমার্জেন্সিতে আছেন, জরুরী কিছু ওষুধ, ইঞ্জেকশন এবং অক্সিজেনের জন্য টাকা লাগবে। ৩০ মিনিটের মধ্যেই কিছু টাকা বিকাশে দিতে হবে তা না হলে সাহায্য কারী কিছু করতে পারবেন না তিনি স্টুডেন্ট হাতে টাকা নেই।ভদ্র মহিলা দিশেহারা হয়ে তার মেয়ে কে বললেন শফিক সাহেবের মোবাইলে কল দিতে,মোবাইল বন্ধ। উনারা বিশ্বাস করলেন যে শফিক সাহেব আসলেই এক্সিডেন্ট করেছেন যেহেতু উত্তরা থেকে মতিঝিল আসতেই অনেক সময় লেগে যাবে তাই বাসায় যা ছিল বিকাশ করে দিলেন এবং মা মেয়ে আত্মীয় স্বজন কে জানিয়ে সি এন জিতে করে মতিঝিলের উদ্দ্যেশে রওয়ানা দিলেন। টাকা পাঠানোর পর কথা হলেও সি এন জি থেকে কল দিয়ে আর ওই লোকের ফোন অন পাওয়া যায়নি।মতিঝিল যে ঠিকানা দিয়েছিল সেখানেও কোন হাসপাতাল নেই। অনেক পরে শফিক সাহেবের ফোন অন পাওয়া গেল এবং বুঝতে পারলেন যে উনারা প্রতারিত।শফিক সাহেব সুস্থ আছেন।

৭) স্যামসাং এস ৪ কিনতে বসুন্ধরা সিটিতে গিয়েছিল সাদি। অনেক দোকান ঘুরেও যখন দাম কমাতে পারছিল না তখন একটা ছেলে বলল একটা টানা সেট আছে লাগবে কিনা? মাত্র ১৫হাজার টাকা দিলেই হবে। সাদি চিন্তা করল কম দামে যখন পাওয়া যাচ্ছে খারাপ কি। দরদাম করে ১০ হাজার টাকাতে ঠিক করে ফেলল। যে বসুন্ধরা সিটির পেছন থেকে সেট টা হাতে নিবে এমন সময় দেখল আরও কয়েকজন বখাটে মতন ছেলে ওই দিকে আসছে। ভয় পেয়ে গেল সাদি। কিছুক্ষণের মধ্যেই পেটে ছুড়ি ধরে টাকা,মোবাইল,এটিএম কার্ড সহ যা পেল নিয়ে গেল সাদি কিছুই করতে পারল না!

৮) ফেসবুকে রিয়ার পরিচয় নিলয়ের সাথে। দেখতে অনেক স্মার্ট, বড়লোকের ছেলে। ঈদের শপিং সাথে নিলয়ের সাথে দেখা ২টাই হবে ভেবে নিলয়কে কে বসুন্ধরা সিটিতে আসতে বলল। যদিও নিলয় বলেছিল পিঙ্ক সিটিতে দেখা করতে। বসুন্ধরা সিটি তে দেখা হল দুজনের।দেখতে বেশ স্মার্ট।নিলয় জানাল সে মোবাইল কিনবে। রিয়া যেটা চয়েস করবে সেটাই কিনবে। খুশীতে বাকবাকুম হয়ে রিয়া নিলয়ের সাথে মোবাইল দেখতে গেল,কয়েকটা দোকান ঘুরে রিয়ার পছন্দ হল সনি এক্সপেরিয়া জেড। নিলয়ও বলল এটা নিয়ে নিবে। দাম দর হয়ে গেল। মোবাইলে সিম লাগিয়ে নিলয় বলল তুমি একটু বস আমি সামনেই আছি,এখানে নেটওয়ার্কে সমস্যা।কল করে চেক করে আসি। দোকানের সামনে থেকে কখন যে হারিয়ে গেল নিলয় টের ও পেল না।নিলয়ের নাম্বার ও বন্ধ। ফেসবুক আইডিও ডিএকটিভ।কোন ছবিও সেভ করে রাখিনি সে।দোকানদার কিছুক্ষণ পরপর জিজ্ঞেস করছে যে সাথের লোক কই?এখন রিয়া কিভাবে বলবে সে নিলয়ের প্রতারণার স্বীকার।ওর শপিং এর টাকা এবং জমানো টাকা থেকে মোবাইলের দাম দিতে হবে।

৯) নিউমার্কেট থেকে জিনস কিনল আতিক। দোকানে মারাত্মক ভিড়। ১ হাজার টাকার নোট দিয়ে পে করল সে। কিছুক্ষণ পর বের হয়ে আসবে এমন সময় জাঁদরেল মত এক লোক হাত চেপে ধরল।বলল টাকা না দিয়ে কই যান? আতিক যতই বলে টাকা দিয়েছে সেলস-ম্যান গুলো ও বলে না টাকা দেয়নি।আতিক কোনভাবেই বুঝাতে পারে না টাকা টা সে আসলেই পে করেছিল। জাঁদরেল মত লোকটি বলল তাড়াতাড়ি টাকা দেন নাহলে চোর বলে গণধোলাই দিব।দিশেহারার মত চারদিকে তাকালেও কারো চোখে তার প্রতি সহমর্মিতার ছোঁয়া দেখতে পেল না।এভাবেই কিছু মানুষ সহজ সরল পেয়ে টাকা রেখে দেয়।

১০) রাত ১০;৩০ মিনিট এ মহাখালি ফ্লাই ওভার ব্রিজ এর গোঁড়া থেকে বাস এ উঠবো, অপেক্ষায় আসি ২৭ নাম্বার বাস এর জন্য। এই মুহূর্তে একটা বাস আসল অন্য একটা বাস,খালি বাস দেখে আমার সাথে আরও ২ জন ছিল, তাদের সাথে আমিও বাস এ উঠলাম, একটু পরে বাস ভাড়া দিলাম ১০ টাকা, খিলখেত নামবো। শুধু দেখলাম বাস এর মেইন দরজা লাগিয়ে দিল আর সাথে সাথে ৪-৫ জন লোক আমার গলা চেপে ধরল হাত আর চোখ বেধে ফেললো সাথে থাকা iphone, 3000 tk নগত, নরমাল symphony mobile, নিয়া নিল। আর ফেলে দিলো আশুলিয়া এর মধ্যে একটা ঝোপ এর ভিতর। সাথে আর ও ২ জন কে। কোন রকম জানে বেঁচে ফিরলেন।

এসব নিত্য নতুন প্রতারনার কৌশল থেকে মুক্তি পেতে লোভ সংবরন করুন, সতর্ক হোন, নিজের উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করুন। নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সতর্ক করুন।

12 June 2015

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহারে আপনাকে যে বিষয় গুলো জানতে হবে

“ফ্রি ওয়াইফাই” খুব লোভনীয় একটি কথা না?
কিন্তু এটি যদি হয় আপনাকে ধরার একটি ফাঁদ, তখন কি করবেন?
কিভাবে বাঁচবেন এই ভয়ানক কাটা জাল থেকে? তা ককি জানা আছে আপনার? যদি না জেনে থাকেন তবে আজকের এই টিউনটি আপনারই জন্য।

স্বভাব সুলভ ভাবে বলুন আর যেভাবেই বলুন ফ্রি ওয়াইফাই পেলে কিন্তু সচরাচর আমরা সবাই কানেক্ট করে ব্রাউজ করা শুরু করি। একটি বারও ভাবিনা এটির মাধ্যমে আমার কোন ক্ষতি বা আমি হ্যাকারদের শিকার হচ্ছি কিনা। মনে রাখবেন আপনার স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য হাতিয়ে নেবার জন্য এটি অতি উত্তম একটি মাধ্যম।
তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কিন্তু খুব সহজেই আপনি হ্যাক হবার সম্ভাবনা থেকে মুক্ত হতে পারেন। প্রথমে অনিরাপদ ওয়াইফাই কানেকশন গুলোতে জরুরী ওয়েবসাইট গুলো ব্রাউজ করা থেকে সতর্ক থাকুন।

আপনার পাসেই বসে থাকা হ্যাকার ঐ একই ওয়াইফাই কানেকশন ব্যবহার করে খুব সহজে আপনার ফোনের বা ল্যাপটপের তথ্য নিজেদের কব্জায় নিয়ে নিতে পারে।
আপনি যদি অ্যাপলের ম্যাক বা উইন্ডোজ নির্ভর পিসি ব্যবহার করেন তবে নিরাপত্তার জন্য প্রতিটা ওএসএক্স বা উইন্ডোজের ইনবিল্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা দেয়া আছে। এটি চালু করতে হলে সিকিউরিটি সেটিংসে যেয়ে উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালের সেটিংসে যাবেন তারপর ওখান থেকে ব্লক অল ইনকামিং ট্রাফিক অন করে দিবেন। এবার চেষ্টা করলেও আর আপনার পিসিতে কেউ সিগন্যাল পাঠাতে পারবে না।

আমরা অনেকেই একটু অলস প্রকিতির মানুষ। কেমন সেটা বলি। মনে করে দেখেন যখনি আপনি ফেসবুক বা অন্যান্য প্রয়জনিয়া সাইটে ধুকছেন তখন আপনার ব্রাউজার স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনাকে “রিমেম্বার পাসওয়ার্ড” নামের একটি নোটিফিকেশন দিচ্ছে। এটি ইয়েস করে দেবার মানে হল পরবর্তীতে আপনি যখন এই একই ওয়েবসাইটে ধুকবেন তখন আর আপনাকে নতুন করে ইউজার নেম পাসওয়ার্ড দেয়া লাগবে না।
আপনার ব্রাউজারই সেটি মনে রাখবে। এটি আমাদের খুবই মারাত্মক একটি ভুল। হ্যাকার রা অনেক সময় আপনার ব্রাউজার কে টার্গেট করে থাকে। এই ফিশিং থেকে বাঁচার জন্য মজিলা ফায়ারফক্সে মাস্টার পাসওয়ার্ড নামে একটি অপশন আছে সেটি অন করে নিবেন।  দরকারি ওয়েবসাইট গুলার পাস ব্রাউজারে সেভ না করাই বেষ্ট প্র্যাকটিস।

কোনও ওয়েবসাইট ব্যবহার করলে এইচটিটিপি (HTTP) আপনার কাজ সংকেত হিসেবে নেয়। তখন ওখানে যেটা করছেন সেটা কনফিডেনশিয়াল হয়ে যায়। তাই এইচটিটিপি এভরিহোয়্যার (HTTPS Everywhere) ইনস্টল করে নিন। বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইটে আপনার ক্রিয়াকলাপ সংকেত হিসেবে পৌঁছাতে বাধ্য হবে।
অনেক সময় দেখা গেছে হ্যাকাররা “ফ্রি ওয়াইফাই” বা অন্য নতুন নামে একটি ভুয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করে। সেক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হবে, আপনি অবিশ্বাস যোগ্য ওয়াইফাই থেকে সতর্ক থাকুন।
খুবই প্রয়োজনীয়  ব্যবহার যেমন, অনলাইনে কেনাকাঁটা করা, ব্যাংক ট্রান্সফার, ইত্যাদি স্পর্শকাতর কাজগুলো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে করবেন না। সর্বোপরি চেষ্টা করেন উপরের নির্দেশনা ঠিক মতো মেনে চলার।

নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকেও সচেতন করে তুলুন।
ধন্যবাদ।

01 June 2015

হ্যাকারদের হাত থেকে সিকিউর রাখুন আপনার ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক।

আসসালামু আলাইকুম।। আশা করি সবাই ভালো আছেন, কথা না বাড়িয়ে টিউটোরিয়ালটা শুরু করা যাক। ১) আপনার ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এনক্রিপ্ট করে রাখুনঃ আপনি যখন ওয়াইফাই ব্যাবহার করে ইন্টারনেটে এক্সেস করেন তখন আপনার পিসি থেকে যে ডাটা সেন্ড হচ্ছে বা রিসিভ হচ্ছে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেটা ডাটা যে কেউ স্নিপ করে নিতে পারে সহজ ভাষায় বলতে গেলে চুরি করে নিতে পারে packet sniffers ব্যাবহার করে একজন নুব হ্যাকারও এই কাজ করতে পারে packet sniffer সফটওয়্যার ব্যাবহার করে। যদি সে এটা করতে সক্ষম হয় তাহলে সে আপনি কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন শুধু তা না । আপনি যেসকল ওয়েবসাইটে আপনার লগিন ডেটাইলস দিয়ে লগিন করছেন সে সকল লগিন ডিটেইলস ও হাতিয়ে নিতে পারে আপনার পার্সোনাল একাউন্টের । আপনি যদি encrypt করে নেন আপনার wifi network তাহলে যদিও হ্যাকার আপনার ডাটা Sniff করতে পারলেও encrypt থাকার কারণে সে ডাটা রিড করতে পারবে না । ২) আপনার রাউটারের ডিফল্ট পাসোয়ার্ড বদলিয়ে একটি কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করুনঃ বেশির ভাগ ওয়াইফাই ইউজাররাই এই ভুল টি করে থাকেন সেটা হচ্ছে তারা নিজেদের রাউটারের ডিফল্ট পাসোওয়ার্ড চেঞ্জ করেন না। অনলাইনের পাবলিক ডাটাবেইজে, মার্কেটে পাওয়া এমন সব রাউটারেরই ডিফল্ট পাসওয়ার্ড কি ব্যাবহার করে সেটা পাওয়া যায়। যদি হ্যাকার আপনার রাউটারে এক্সেস নিতে পারে তাহলে সে তার নিজের প্রয়োজন মতো নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সেটিং চেঞ্জ করে নিতে পারে নিজের কার্য সিদ্ধির জন্যে। আপনার রাউটারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার জন্যে আপনি আপনার রাউটারের সেটিং এ গিয়ে রাউটারের এডমিনিস্ট্রেশন পেইজে যান এবং সেখান থেকে ডিফল্ট পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করুন, এবং কখনোই পাসোয়ার্ড ব্রাউজারে সেইভ রাখবেন না কারণ যদি কারো আপনার পিসিতে ফিজিক্যাল এক্সেস থাকে তাহলে সে সহজেই সেভ পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে ।
৩) রাউটারের Firmware আপডেট করে রাখুনঃ আপনি যে কোম্পানির রাউটার ব্যাবহার করেন সে কোম্পনির ওয়েবসাইটে তারা তাদের রাউটার ফ্রেমওয়্যার নিয়মিত আপডেট পোস্ট করে থাকে, সেখান থেকে আপনি আপনার রাউটারের ফ্রেমওয়্যার নিয়মিত আপডেট করে নিতে পারেন। তবে বর্তমান সময়ের রাউটার গুলোতে যদি কোনো আপডেট আসে ফ্রেমওয়্যারের তাহলে সেটার আপডেটের নটিফিকেশন দেখায়, সেখান থেকে আপডেট করে নিন। ৪) আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যাবহার করবেন না তখন আপনার ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক অফ করে রাখুনঃ আমার মনে হয় ৯০% মানুষই এই কাজ করে থাকে, যদি আপনার ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক অনেক সময় ধরে চালু থাকে তাহলে সমস্যা হয় কি যদি কোনো হ্যাকার আপনার ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ককে টার্গেট করে হ্যাক করার জন্যে তাহলে আপনার প্রায় সব ডিভাইস অন থাকা দরকার (নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্কিত ডিভাইস গুলো) যদি বেশি সময় ধরে অন থাকে আপনার নেটওয়ার্ক তাহলে হ্যাকারকে সেটা সাহয্য করবে আপনার নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি ব্রেক করার ক্ষেত্রে। ৫) ওয়াইফাই নেইম দিন ভয়ঙ্কের ধরনের যাতে অপরিচিত কেউ আপনার ওয়াইফাইয়ের সাথে কানেক্ট হওয়া থেকে বিরত থাকেঃ যদি আপনার ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের নাম এ ধরনের দেন C:\virus.exe তাহলে বেশির ভাগ অনাকাঙ্খিত লোকজনেই আপনার ওয়াইফাইয়ের সাথে কানেক্ট হতে চাইবে না এই ভয়ে যে তার ডিভাইস ও হয়তো হ্যাকিং এর স্বীকার হব। আপনি আপনার মাথা খাটিয়ে আরো ভয়ঙ্কর ধরনের নাম ব্যাবহার করতে পারেন যেটা অনাখাঙ্কিত লোকজন আপনার ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকে এই ভয়ে যে যদি সে কানেক্ট হয়ে যায় তাহলে হয়তো তার ডিভাইসও হ্যাকারের হাতে চলে যাবে ধন্যবাদ সবাইকে পোস্টটি পড়ার জন্যে যদি আপনাদের লেখাটি ভালো লেগে থাকে তাহলে টিউনমেন্ট করুন শেয়ার দিন যাতে অন্যরাও এই ব্যাপার গুলো শিখতে পারে।

25 May 2015

লিংকে ক্লিক দিলেই আপনার ফেবু আইডি শেষ হচ্ছে? (সমাধান অবশ্যই দেখুন)

সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে আপনার কোন ফ্রেন্ডের কাছে থেকে একটা লিংক আসছে ইনবক্সে, তখন সেটায় ক্লিক দিলেই আপনিও ঐ স্ক্রিপ্টের ভিক্টিম হয়ে যাচ্ছেন আপনার অজান্তেই। আর এটা হওয়ার সাথে সাথে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টের সবার ইনবক্সে আপনার একাউন্ট থেকে ওই সেম লিংকটা মেসেজ হিসাবে যাবে। এতে অনবরত সব ইউজারের তথ্য স্ক্রিপ্ট মেকারের কাছে চলে যাবে, আপনি হ্যাকিং এর স্বীকার হবেন। তাছাড়া হ্যাকার যদি কিছু নাও করে তবুও ফেসবুকের স্প্যাম মডারেশন অনুযায়ী আপনার আইডি ডিজ্যাবল্ড হয়ে যেতে পারে। তাই যারা এর স্বীকার হয়েছেন তারা দ্রুত তাদের পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করুন,পরিবর্তন করার সময় অবশ্যই "Log me out of others device" অপশন টি সিলেক্ট করবেন। আমি নিজেও কয়েকটা ফ্রেন্ডের কাছে থেকে লিংকটা পেয়েছি। অতঃপর তা ভাইরাস টোটালে (bit.ly/1hr5HS1)
স্ক্যান দিলাম। মজার ব্যাপার হচ্ছে ৬৩ টা বিশ্ব বিখ্যাত কুখ্যাত ইন্টারনেট সিকুরিটির মধ্যে মাত্র একটি (Dr. Web) এটিকে ম্যালিশিয়াস সাইট হিসাবে ডিটেক্ট করতে পারল।
যা হোক স্ক্রিনশটের লিংক দেখে সাবধান হউন, আর লিংক সন্দেহ হলেই উপরে সাইটে গিয়ে লিংক স্ক্যান করে নিন। পাশাপাশি পিসিতে ভাল মানের ইন্টারনেট সিকুরিটি ব্যবহার করুন। নিজে সুরক্ষিত থাকুন অন্যকেও থাকতে দিন।