13 April 2016

অাপনার Android ফোনের জন্য ডাউনলোড করুন দারুন একটি প্র‍িমিয়াম Light Manager. অাশা করি অাপনাদের ভালো লাগবে।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালোই আছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি। আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম দারুন একটি সফটওয়্যার। এটা একবার ব্যবহার করে দেখুন ভালো লাগবে।

তো দেরি কেন প্রথমে নিচ থেকে সফটওয়্যটি ডাউনলোড করে নিন :-

Click Here To Download

চলুন এই সফটওয়্যারটির কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে নিইঃ
Light Manager Pro
Light Manager is an android application that serves to regulate the LED color on Android phones when there is incoming notifications. With this application, you can control and set the color LEDs of different notifications, such as notification of incoming SMS messages, incoming calls, weak batteries conditions, there is no network signal conditions, and so forth into the red, green, blue, and others. If you want to change the color you like (custom color), go to the settings menu and change application color as you like via the settings menu hex code. After that, you have to get the LED and notification in accordance with your own desires.
ত্রুটিমুক্ত জিমেইল নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীদের জন্য কাজ করতে দেন
যোগাযোগের দ্বারা বিজ্ঞপ্তি ত্রুটিমুক্ত এসএমএস-এর জন্য কাজ করছে না
ফিক্সড মিসকল, এসএমএস, হ্যাঙ্গআউট যখন স্বাভাবিক মোডে নির্দিষ্ট ডিভাইসের চার্জিং কাজ করতে দেন
ফিক্সড হোয়াটসঅ্যাপ এর মিসকল নির্দিষ্ট ডিভাইসের উপর কাজ করতে দেন
স্ক্রীন মোডে মোড এবং স্ক্রীনের সময়সীমা পর্যায়ক্রমে প্রজ্ঞাপন প্রতি স্বয়ংক্রিয় জন্য যোগ করা হয়েছে 2 minutues বিকল্প বাতিল
এলজি জন্য আবেদন তালিকায় ভেরাইজন এর ভিসুয়াল ভয়েসমেইল সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন মঞ্জুর করুন
কিছু অনুপস্থিত অনুবাদ যোগ করা হয়েছে
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
আর যেকোন সমস্যা হলে আমাকে জানান।

01 April 2016

অনলাইনেই জাতীয় পরিচয় পত্র! নিয়ে নিন আপনারটি?

এখন থেকে অনলাইনেই জাতীয় পরিচয়পত্রের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন, হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া পরিচয়পত্র নতুন করে তোলা, ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের আবেদন সবকিছু হবে এখন এক ক্লিকেই।
নির্বাচন কমিশনের http://services.nidw.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে এখন ঘরে বসেই সবকিছু করতে পারবেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। পাশাপাশি বিদ্যমান প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।
২৫শে ফেব্রুয়ারি বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এর উদ্বোধন করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ।
যে সব সেবা পাওয়া যাবে...

২০১৩-২০১৪ সালের হালনাগাদে ভোটার নিবন্ধন হয়েছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্র পাননি?

যারা ২০১৩-২০১৪ সালের হালনাগাদে কর্মসূচীর মাধ্যমে ভোটার হিসাবে নিবন্ধন হয়েছে কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর পাননি তারা জাতীয় পরিচয় বিবরণী জানতে “ভোটার তথ্য” মেনুতে গিয়ে আপনার কাছে রক্ষিত ফর্ম নম্বর (রশিদ ফর্ম) এবং আপনার জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা প্রদানের মাধ্যমে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর টি জেনে নিন অত:পর “রেজিষ্টার” মেনুতে গিয়ে প্রয়োজনী তথ্য দিয়ে অন-লাইন সেবার জন্য রেজিষ্টেশন সম্পন্ন করুন।পরবর্তীতে “লগইন” মেনুতে গিয়ে আপনার ইউজার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে “পরিচয় বিবরণী” মেনুতে গিয়ে আপনার পরিচয় বিবরণী দেখুন।

আপনি কি নতুন ভোটার হতে চান?

ভোটার তালিকা হালনাগাদ একটি চলমান প্রক্রিয়া। যিনি বাংলাদেশের নাগরিক, সচরাচর কোন এলাকায় বসবাস করেন কিন্তু এখনও ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি এবং আপনার বয়স যদি ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারী বা তার পূর্বে ১৮ বছর হয়ে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে আপনার এলাকার সিডিউল মোতাবেক ফরম-২ পূরণ করে ভোটার হোন। ভোটার হওয়ার সময় আপনার কিছু সংযুক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হবে, যা নিন্মরুপ-
• এস.এস.সি সনদ -(বয়স প্রমানের সনদ)
• জন্ম নিবন্ধন -(বয়স প্রমানের সনদ)
• পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / টি.আই.এন -(বয়স প্রমানের সনদ)
• ইউটিলিটি বিলের কপি/বাড়ী ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ – (ঐ এলাকায় সচরাচর বসবাস করেন এরুপ কোন প্রমান)
• নাগরিকত্বের সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রীর আই.ডি কার্ডের কপি(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ করতে চান?

২) তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়ায় আপনাকে স্বাগত জানাই
আপনার নিজস্ব তথ্য হালনাগাদ ও অন্যান্য সেবা নেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইতোমধ্যে ভোটার হতে হবে এবং এই ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করার জন্য আপনার বর্তমান কার্ডের নম্বর ও একটি কার্যকর মোবাইল নম্বর আপনার জন্মতারিখ ও ঠিকানা সম্পর্কিত তথ্য প্রয়োজন।

ক। ভূমিকা
আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন
রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ পেতে পারেন
• নিজস্ব প্রোফাইল তথ্য
• নির্বাচনকালীন ভোটকেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য
• কার্ডের তথ্য পরিবর্তন/সংশোধন/হালনাগাদের জন্য আবেদন। বিস্তারিত
• ঠিকানা অথবা ভোটার এলাকা পরিবর্তন/সংশোধন/হালনাগাদের আবেদন
• হারানো/নষ্ট কার্ড পুনর্মূদ্রনের আবেদন। বিস্তারিত
• ছবি,স্বাক্ষর ইত্যাদি পরিবর্তনের এপয়েন্টমেন্ট করা
• আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা ইত্যাদি...

খ। প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী
• তথ্য পরিবর্তনের জন্য, তার সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করুন।
• সাধারন জিজ্ঞাসা লিংকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত তথ্য দেখুন।

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদের জন্য কি কি দলিলাদি প্রয়োজন?

১) জাতীয় পরিচয়পত্রধারীর নাম (বাংলা/ইংরেজি) এবং জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে, উক্ত সংশোধনের স্বপক্ষে, ক্ষেত্রমত, নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র/তথ্যাদি জমা দিতে হইবে, যথা:-
(ক) শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি/সমমান হইলে এসএসসি/সমমান সনদপত্র;
(খ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি/সমমান না হইলে এবং তিনি সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্বশাসিত কিংবা সংবিধিবদ্ধ কোনো সংস্থায় চাকুরীরত হইলে, চাকুরী বই/মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও);
(গ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, জাতীয় পরিচয়পত্রধারীর পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদ/ড্রাইভিং লাইসেনস/ট্রেড লাইসেনস/কাবিননামার সত্যায়িত অনুলিপি;
(ঘ) নামের আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, প্রার্থিত পরিবর্তনের যথার্থতা সম্পর্কে গ্রহণযোগ্য দলিলাদি [এসএসসি সনদ/পাসপোর্ট/চাকুরী বই/মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও)/ড্রার্ইভিং লাইসেনস, যাহার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য] ছাড়াও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কপি;
(ঙ) ধর্ম পরিবর্তনের কারণে নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কপি এবং আবেদনের যথার্থতা সম্পর্কে গ্রহণযোগ্য দলিলাদি (শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেনস/জন্ম নিবন্ধন সনদ, ইত্যাদি যাহার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)।
(২) বিবাহ বা বিবাহ বিচ্ছেদ বা অন্য কোন কারণে কোনো মহিলা তাহার নামের সহিত স্বামীর নামের অংশ (টাইটেল) সংযোজন বা বিয়োজন বা সংশোধন করিতে চাহিলে, তাহাকে কাবিননামা/তালাকনামা/মৃত্যু সনদ/ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা/বিবাহ বিচ্ছেদ ডিক্রির সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হইবে। এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রয়োজনে, সরেজমিন তদন্ত করিতে পারিবেন।
(৩) পিতা/মাতার নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে, জাতীয় পরিচয়পত্রধারীর এসএসসি, এইচএসসি বা সমমান সনদপত্র (যদি উহাতে পিতা/মাতার নাম উল্লিখিত থাকে) এবং জাতীয় পরিচয়পত্রধারীর পিতা, মাতা, ভাই ও বোনের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হইবে। এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রয়োজনে, সরেজমিন তদন্ত করিতে পারিবেন।
(৪) পিতা/মাতার নামের পূর্বে “মৃত” অভিব্যক্তিটি সংযোজন বা বিয়োজন করিতে চাহিলে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, পিতা/মাতার মৃত্যু সনদের সত্যায়িত অনুলিপি বা তাহাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি ও জীবিত থাকিবার সমর্থনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/কাউনিসলরের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হইবে।
(৫) ঠিকানা (বাসা/হোল্ডিং/গ্রাম/রাস্তা/ডাকঘর) সংশোধনের ক্ষেত্রে, সঠিক ঠিকানার স্বপক্ষে বাড়ির দলিল/টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল/বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র/বাড়িভাড়া রশিদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হইবে।
(৬) রক্তের গ্রুপ সংযোজন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে, উহার স্বপক্ষে ডাক্তারী সনদপত্র জমা দিতে হইবে।
(৭) শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশোধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রধারীর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হইবে।
(৮) টিআইএন/ড্রাইভিং লাইসেনস নম্বর/পাসপোর্ট নম্বর সংশোধনের ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে, টিআইএন সনদ/ড্রাইভিং লাইসেনস/পাসপোর্টের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হইবে।
(৯) অন্যবিধ যে কোনো সংশোধনের ক্ষেত্রে, উক্তরূপ সংশোধনের স্বপক্ষে উপযুক্ত সনদ, দলিল ইত্যাদির সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হইবে।
(১০) আবেদনপত্রের সহিত দাখিলকৃত অনুলিপিসমূহ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিবর্গ সত্যায়ন করিতে পারিবেন: (ক) সংসদ সদস্য, (খ) স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, (গ) গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা, এবং (ঘ) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান।
(১১) অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ আবেদন বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।

24 March 2016

আসুন ফ্রি ফ্রি মোবাইল রিচার্জ করে নিই। আপনাকে এক টাকাও দিতে হবে না। শুধু লুফে নিন। নিশ্চিত রিচার্জ ৩০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত।

আসসালামু আলাইকুম। আপনার সবাই কেমন আছেন ? আশা করব ভাল আছেন।
আপনা হয়ত কেউ কেউ ভাবছেন লেখাপড়া বিষয়ক টিউন বাদে কেনই বা এমন টিউন করতে গেলাম। আরে ভাই ! আধুনিক যুগের পোলাপাইন আমরা। শুধু লেখাপড়া করলেই চলবে ? অন্য কিছুইও তো শিখতে হবে।
আজকে আমি যে টিঊনটা করব সেটা RingID সম্পর্কে। এটা কোন হ্যাকিং টিউন না। কোম্পানি কর্তৃক শুধু অফার মাত্র।
এই অফার চলবে ২৬ শে মার্চ পর্যন্ত। যারা ২৬ শে এর মধ্যে RingID তে আকাউন্ট ক্রিয়েট করবে তারা সবাই ৩০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত মোবাইল রিচার্জ পাবে।
তবে সবাই ৩০ টাকা পাবেই। ভাগ্য ভাল হলে এর চেয়ে বেশিও পেতে পারেন।
আসুন শুরু করা যাক।
আমি এখানে আন্ড্রয়েড মোবাইলের পদ্ধতিটা আলোচনা করলাম। এটা ছাড়াও উইন্ডোস, আইফোন ইত্যাদি মোয়াবিল দিয়ে সম্ভব।
প্রথমে এখান থেকে RingID App Download করুন।
এরপর অ্যাপ টা ওপেন করুন।

Continue তে ক্লিক করুন।

New User এ ক্লিক করুন।

Sing Up using Phone ক্লিক করে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।
রেজিস্ট্রেশনের ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপনার মোবাইলে নিশ্চিত মোবাইল রিচার্জ চলে যাবে ।
আমারটা একটু দেখতে পারেন।

যাই হোক আজকে এখানে শেষ করছি। কারো কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে আমার ফেসবুক আইডির মাধ্যমে জানাতে পারেন।

গুগল Analytics এ নিজের ভিজিট কাউন্ট কিভাবে বন্ধ করবেন।

গুগল অ্যানালাইটিক্স কি এটা আমারা সবাই জানি যেসকল বন্ধুরা ব্লগার ব্যবহার করেন তারা হয়ত নাও জানতে পারেন কিন্তু যারা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই জানেন এটার কাজ কি কেন ব্যবহার করে। যাই হোক গুগল Analytics এর কাজ হচ্ছে মূলত কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর সঠিক রিপোর্ট প্রদান করা, যেমন ধরুন আপনার ব্লগে আজকে কত জন ভিজিট হয়েছে এই মাসে কত জন ভিজিটর এসেছে পেজভিউ কত, এখুন কত জন ভিজিটর আপনার ব্লগ পড়ছে এই সব দেখিয়ে থাকে আর অবশ্যই এটা খুবি গুরুত্ব পূর্ণ একটি জিনিস।

যাই হোক আসল কাজের কথাই আসি ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে এখুন আপনি না না প্রয়োজনীয় কাজে আপনার সাইটে ভিজিট করতে হয় তার মানে গুগল Analytics আপনার ভিজিট কেও কাউন্ট করছে কি তাই তো তার মানে আপনি সঠিক ভাবে বুঝতে পারছেন না কত জন ভিজিটর আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করছে পেজ ভিজিভিউ কত ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই আপনি চান আপনার নিজের ভিজিট কাউন্ট গুগল Analytics যাতে কাইন্ট না করে এই জন্যই আজকের এই টিউন।

গুগল Analytics এ নিজের ভিজিট কাউন্ট কিভাবে বন্ধ করবেনঃ

প্রথমে আপনি Whatismyipaddress.com থেকে আপনার নিজের IP অ্যাড্রেস চেক করুন বা গুগল গিয়ে শুধু IP লিখুন তাহলেই আপনার IP অ্যাড্রেস পেয়ে যাবেন।
এবার Google Analytics এ ভিজিট করুন যদি আপনার অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে অবশ্যই অ্যাকাউন্ট করুন কারন এর মত সঠিক তথ্য আর কোন সাইট দেইনা।লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে Admin বাটনে ক্লিক করুন তারপর "All Filters" বাটনে ক্লিক করুন এবার ডান পাশ থেকে "ADD FILTER" বাটনে ক্লিক করুন।

এখুন যে পেজ খুলেবে সেখানে আপনি "Filter Name" ব্লগ নাম দিন Filter Type হিসাবে "Predefined" রাখুন তারপরের অপশনে "Exclude" সিলেক্ট করুন "traffic from the IP addresses" সিলেক্ট করুন তারপরের অপশনে "that are equal to" সিলেক্ট করুন আর IP address অপশনে আপনার IP এড্রেস টি বসান।

ব্যাস হয়েগেল এবার Save বাটনে ক্লিক করুন দেখুন সেভ হয়ে যাবে। এখুন আপনার কাজ শেষ, আশাকরি টিউনটি আপনাদের কাজে আসবে কোন রকম সমস্যা হলে নিচে টিউমেন্ট করুন টিউন ভাল লাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

23 March 2016

Best bangla pdf collection for web design


নিয়ে নিন Web Design এর 25 টি বাংলা Ebook. যারা ইন্টারনেট থেকে টাকা উপার্জন করতে চান। তারা অব্যশই এই বই গুলো থেকে উপকৃত  হবেন। আমরা যারা ইন্টারনেট চালাই তারা অব্যশই জানি যে, নিজের  একটা ওয়েব সাইট থাকা কতটা জরুরী। আর এই বই গুলো পড়লে আপনি নিজেই ওয়েব সাইট তৈরী  করতে পারবেন। আর সেই ওয়েব সাইট থেকে টাকাও উপার্জন করতে পারবেন।








HTML5 -Bangla-E-book
Size: 5.24 MB



Html Bangla-ebook
Size: 1.98 MB
HTML by tanbircox
Size: 9.85 MB








css bangla e-book by faruk 
Size: 1.98 MB







CSS by tanbircox
Size: 3.18 MB
Dreamweaver
Size: 3.81 MB

Bangla Blogger Tutorial book 1
Size: 10.9 MB



Bangla Blogger Tutorial book 2
Size: 2.89 MB








Ecommerce-book-ver-Final_V1.7
Size: 4.25 MB

JavaScript Bangla E-book by faruk
Size: 2.31 MB

Bangla-java-book
Size:19.00 MB


Javascript bangla tutorials
Size: 436 KB


Bangla joomla version 2(Parth sarothi)
Size: 4.72 MB

Joomla by tanbircox
Size: 4.71 MB


PHP & Database bangla
Size: 147 KB


Php bangla book
Size: 757 KB


PHP bangla tutorial php basic
Size:  644 KB

Php-framework-codeigniter
Size: 18.7 MB




MY SQLCreated by imran mithun
Size: 447 KB



MySQL bangla tutorials
Size:274 KB



Bangla wordpres tutorial(ariful islam)
Size: 7.74 MB


Thesis theme ebook
Size: 7.75 MB


Wordpress Plugin Development
Size: 1.48 MB


wordpress theme and plugins Development 
Size: 14.7MB


wordpress BanglaEbook 
Size: 7.19 MB

22 March 2016

20 March 2016

প্রতিকার সহ জেনে নিন কম্পিউটার হ্যাং (আনরেসপন্সিভ) হয়ে যাওয়ার কারণ সমূহ!

————————–— بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ————————–—
সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি, সবাইকে আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি কম্পিউটার আনরেসপন্সিভ হয়ে যাওয়ার কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে আমার আজকের মেগা টিউন।
কম্পিউটার হ্যাং (আনরেসপন্সিভ) হওয়ার সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। আপনি হয়তো কোন কাজ করছেন এমন সময় দেখলেন হঠাৎ করেই কিবোর্ড কোন কাজ করছে না, কাজ করছে না মাউসও। পিসিতে কোন কমান্ড দিতে পারছেন না, পিসি আপন মনে চলছে কিংবা নিজের ইচ্ছেই বন্ধ হয়ে আছে। এমন অবস্থাকে আমরা সাধারণত কম্পিউটার হ্যাং হওয়া বলে অভিহিত করে থাকি। কম্পিউটার কিংবা কম্পিউটারের সিস্টেম যখন হ্যাং হয়ে যায় তখন সাধারনত সিপিইউ ইউজ ১০০% দেখায়। যারা সিপিইউ মিটার ব্যবহার করেন তাদের কাছে এটা দৃষ্টিগোচর হওয়ার কথা। যাহোক, কখনো কি মনে হয়েছে কম্পিউটার কেন এমন হ্যাং হয়ে যায়? আর হ্যাং হয়ে গেলে আমাদের করণীয় কী? আজকের টিউনে আমরা বিস্তারিত দেখানোর চেষ্টা করবো সিস্টেম হ্যাং হয়ে যাওয়ার কারণ সমূহ। এবং অতি অবশ্যই সিস্টেম হ্যাং হয়ে যাওয়ার কারণের পাশাপাশি এর প্রতিকারও বলা হবে। সিস্টেম হ্যাং হয়ে যাওয়ার মিলিয়ন কারণ থাকলেও আমরা কেবল তাদের মাঝে সবচেয়ে কমন এবং সর্বাধিক ঘটা কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

হার্ডওয়্যার ইনকম্প্যাটিবিলিটি

অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা হ্যাং হওয়ার অনেক বড় কারণ হলো হার্ডওয়্যার ইনকম্প্যাটিবিলিটি। সেই হার্ডওয়্যার অনেক কিছুই হতে পারে। যেমন, কম্পিউটারের মাউস, কিবোর্ড, সিডি ড্রাইভ, হার্ডওয়্যার এমনকি ইউএসবি ডিভাইসের জন্য কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হার্ডওয়্যার ইনকম্প্যাটিবল থাকলে কম্পিউটার স্ক্রিণ নীল হয়ে যায়। একে বলা হয় “Blue Screen of Death (BSOD)”। এই ধরনের ব্লু-স্ক্রিন সমস্যা শুধুমাত্র অতিপ্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্থ হলে দেখা দেয়। যেমন, হার্ডড্রাইভ, ফিজিক্যাল মেমোরি (র‍্যাম) ইত্যাদি।

ড্রাইভার সমস্যা – চালকের সাথে নো ঝামেলা

যদি হার্ডওয়্যারে কোন সমস্যা না থাকে তাহলে ড্রাইভার হলো পরবর্তি বিবেচ্য বিষয়। কারণ ড্রাইভারগুলোই হার্ডওয়্যারগুলোকে পরিচালনা করে। অনেক সময় কম্পিউটারের ড্রাইভার সমস্যার কারণে সিস্টেম আনরেসপন্সিভ হয়ে যায়। মজার ব্যাপার হলো টিউনটি যখন লিখছি ঠিক তখনই কোন কারণ ছাড়ায় গ্রাফিক্স ড্রাইভার এরর দেখিয়ে আমার পিসির স্ক্রিন লাইট একবার চলে যাচ্ছিলো আবার ফিরে আসছিলো। তো এরকম সাউন্ড ড্রাইভার, ব্লুটুথ, ওয়্যারলেস কিংবা অন্যান্য ড্রাইভারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন অবস্থায় পুরাতন ড্রাইভার আনইনস্টল করে নতুন ড্রাইভার ইনস্টল করতে হবে। তাছাড়া নিয়মিত ড্রাইভার আপডেট করা গুড প্র্যাকটিস হিসাবে গণ্য করা হয়।

উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এরর – প্রাণ নিয়ে টানাটানি

উইন্ডোজ এবং উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি হলো খুবই জটিল একটি সৃষ্টি। খুব সামান্য একটু রেজিস্ট্রি এরর এর কারণে শুধু কোন প্রোগ্রাম না বরং পুরো কম্পিউটার অচল হয়ে যেতে পারে। কোন প্রোগ্রাম যখন কম্পিউটারে ইনস্টল করা হয় তখন তার সাথে অনেক রেজিস্ট্রি এনট্রি হয়ে যায়। আবার সেগুলো আনইনস্টল করলেও অনেক সময় রেজিস্ট্রি রিমুভ হয় না। এর ফলে কম্পিউটারে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া কম্পিউটারের রেজিস্ট্রিগুলো কোন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেগুলোর কারণেও কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যেতে পারে। তাই কম্পিউটার হ্যাং এড়াতে নিয়মিত রেজিস্ট্রি পরিষ্কার করতে হবে। কম্পিউটারে রেজিস্ট্রি ক্লিন করার জন্য আমার দেখা অন্যতম ভালো সফটওয়্যারটি সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

ম্যালওয়্যার – ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, ট্রোজান, এডওয়্যার

বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের আক্রমনে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যেতে পারে। কোন ধরনের ম্যালওয়্যার কী ধরনের ক্ষতি করে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার, ট্রোজান ইত্যাদি ম্যালওয়্যারগুলো প্রতিনিয়ত ইন্টারনেটে আপলোড করা হচ্ছে। সেগুলো‌ই হয়তো আপনার অজ্ঞাতসারেই কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়ে সিস্টেম স্লো করে দিচ্ছে। আর এ কারণে খুব ভালোমানের ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত। আমার প্রিয় ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যারগুলো হলো, ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি এবং এভিজি ইন্টারনেট সিকিউরিটি। শুধু ইন্টারনেট সিকিউরিটি প্রোগ্রাম থাকলেই হবে না। এগুলোকে নিয়মিত আপডেট করতে হবে এবং কম্পিউটার স্ক্যান করতে হবে।

এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম – রক্ষক যখন ভক্ষক

মজার ব্যাপার হলো একটু আগে আমি কম্পিউটারের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে এন্টি ম্যালওয়্যার প্রোগ্রামের কথা বললাম সেগুলোর কারণেই কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যেতে পারে। একটি কম্পিউটারে যদি একাধিক এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইনস্টল করা থাকে তাহলে কম্পিউটার নির্ঘাত হ্যাং হয়ে যাবে। তাছাড়া বর্তমান বাজারে প্রচলিত যতো এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম আছে তাদের অধিকাংশ কম্পিউটার স্লো করে ফেলে। এ কারণে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করিনা। যদি করি তাহলে উপরে রিকমেন্ড করা এন্টিভাইরাস দুটির যেকোন একটি সাময়িকের জন্য ব্যবহার করি।

কম্পিউটার কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে বাগ

সাধারনত অ্যাপ্লিকেশনে বাগ থাকলে সেই অ্যাপ্লিকেশন পিসিতে চালালে পিসি হ্যাং হয়ে যায়। অনেক সময় ফায়ারফক্স, ক্রোম ইত্যাদি ব্রাউজারগুলোকেই হ্যাং হয়ে যেতে দেখা দেখা যায়। এর কারণ হলো আপনি যে ওয়েব সাইট ব্যবহার করছেন সেখানে কোডিং এ বড় ধরনের বাগ আছে। সমস্যাটা শুধু আমারই হয় কিনা জানিনা, মাঝে মাঝে টেকটিউনসে ঢুকলেই আমার ব্রাউজার হ্যাং হয়ে যায়, হা হা হা। যাহোক, যদি আপনি সৌভাগ্যবশত ধরতে পারেন যে কোন প্রোগ্রামের কারণে সমস্যা হচ্ছে তাহলে সাথে সাথে সেটা রেজিস্ট্রিসহ আনইনস্টল করে ফেলুন।

কাস্টম সেটিংস – অতিচালাকের ভবিষ্যৎ সব সময় ভালো হয় না

অনেক সময় আমরা টেকটিউনসে কিংবা আরও কিছু আন্তর্জাতিক মানের ওয়েব সাইটে পিসির স্পিড আপ করার জন্য বিভিন্ন রেজিস্ট্রি এডিট, ডিফল্ট প্রোগ্রাম চেইঞ্জ কিংবা আরও অনেক থার্ডপার্টি সফটওয়্যারের ব্যবহার দেখে থাকি। কিন্তু আমাদের এই চেইঞ্জগুলো সব সময় ফলপ্রসূ হয় না। এ কারণে কোন বিষয়ে বিস্তারিত না জেনে কারও কথায় হুটহাট কোন সেটিং পরিবর্তন করবেন না। যদি করতেই চান তাহলে অবশ্যই তার আগে উক্ত সেটাপের ব্যাকাপ নিয়ে রাখবেন। তারফলে সমস্যা দেখা দিলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবেন।

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারণ আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। আর টিউনটিকে মৌলিক মনে হলে এবং নির্বাচিত টিউন হওয়ার উপযুক্ত মনে হলে নির্বাচিত টিউন মনোনয়ন দিতে ভুলে যাবে না যেন। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো, আসুন আমরা কপি পেস্ট করা বর্জন করি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

কম্পিউটার পার্টিশান সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যাবলীর সহজ সমাধান, হয়ে যান পার্টিশান গুরু।

আমাদের প্রত্যকেই  কিছু আলাদা পারটিশান রাখতে পছন্দ করি কারন  এর ফলে আলাদা আলাদা ভাবে ফাইল রাখতে সুবিধা হয়।  তাই অনেক সময় পারটিশান দেবার প্রয়োজন পরে, কিন্ত ডিফল্টভাবে পারটিশান দেয়া যথেষ্ট ঝামেলা পূর্ণ এবং এর ফলে হার্ড ডিস্ক ডাটা লস হয়ে থাকে। আজ আপনাদের নিকট একটি সফটওয়্যার শেয়ার করব জার মাধ্যমে সহজেই পারটিশান তৈরি অথবা রিসাইজ করা যাবে এবং কোন ফাইল ডিলেট করতে হবে না।অসাধারন এই  সফটওয়্যারটির ব্যাপারে কিছু বলার আগে নিজেই দেখে আসুন তাদের অফিসিয়াল ওয়েব।

কিছু বৈশিষ্ঠ্য শেয়ার করছি যার কারনে সফটওয়্যারটির রেটিং অন্য সব সফটওয়্যার থেকে উপরে এবং বড় বড় CNET এবং pcworld এর মত সাইট এটা ব্যবহার করার জন্য রিকমেন্ড করে।
মুভ এবং রিসাইজ পারটিশান :
অনেক সময় দেখা যায় এক ড্রাইভ এর জায়গা শেষের দিকে অথচ অন্য ড্রাইভ খালি পরে রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান EaseUS এর মাধ্যমে অতি সহজেই করা জায় কোন প্রকার রিবুট করা ছারাই।

FAT থেকে NTFS ড্রাইভ এ পরিবর্তন :
NTFS হচ্ছে সব থেকে আধুনিক FAT সিস্টেম থেকে, অনেক ফিচার NTFS এ রয়েছে যা FAT এ নেই। এই সফট এর মাধ্যমে অতি সহজেই ফাইল পরিবর্তন সম্ভব।

ট্রান্সফারিং হার্ড-ডিস্ক :
সবথেকে চমৎকার যেটা আমার কাছে লেগেছে সেটা হল আপনি ইচ্ছা করলে আপনার উইন্ডোজ ট্রান্সফার করতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছারাই। অর্থাৎ আপনি হুভহু সকল ফাইল অন্য হার্ড ডিস্ক এ ট্রান্সফার করছেন তাও উইন্ডোজ দিতে হচ্ছে না।
সুতরাং এই চমৎকার সফটওয়্যার টি ব্যবহার করেই দেখুন তারপর বুঝুন এটি কেমন কাজের। পার্সনাল ব্যবহারের জন্য সফটওয়্যার টি ফ্রি। তাই ডাউনলোড করে সহজেই হয়ে যান পারটিশান এর গুরু। ডাউনলোড

ডাউনলোড করে নিন Bitdefender Total Security 2016 with Active Key Latest আপডেট

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার। পরম করুণাময় মহান আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে আমার আজকের টিউন শুরু করছি। আসসালামু আলাইকুম আমার প্রাণপ্রিয় ছোট, বড় ভাই-বোনেরা।আশা নয়, বিশ্বাস আল্লাহ্‌র রহমতে খুব ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি।
আপনাদেরকে নতুন তথ্য দেওয়া, নতুন কিছু উপহার দেওয়া, তার বিনিময়ে একটু থ্যাংকস পাও্যার আশা করি।

Antivirus Software সকল পিসি ইউজারদের জন্য খুব দরকারী সফটওয়ার। বর্তমান পিসিতে নেট বা বিভিন্ন ধরনের ইউ এস বি ডিভাইস ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ধরনে ভাইরাস পিসিতে রক্ষিত মূল্যবান ডাটা ন্ষ্ট করে দেয়। ভািইরাস থেকে পিসিকে রক্ষা করতে আমরা বেশীর ভাগই ফ্রী Antivirus Software ব্যবহার করি।
তাই সকল ফ্রী Antivirus Software ব্যবহারকারীদের জন্য আজ পেইড Antivirus Software কী সহ নিয়ে আসলাম এক বছর বিনা মূল্যে এই Antivirus Software টি ব্যবহার করতে পারবেন।
নিজে বিস্তারি ইংরেজিতে লেখা আছে। একটু কষ্ট করে পরে Antivirus Software টি ডাউনলোড দিয়ে একটিভ করে নিন।

Bitdefender Total Security 2016
It builds on technology awarded PRODUCT OF THE YEAR and uses machine-learning to fight off cyber-threats without impacting your device’s performance. It automatically takes the best security decisions for you in securing your data, protecting online payments and safeguarding online privacy. Also includes a new firewall, redesigned parental controls, a one-click optimization tool and even helps recover or block your devices in case of loss or theft.
What’s New 
  • Bitdefender 2016 is Windows 10 Ready – Windows 10 will launch on July 29. Bitdefender 2016 products line (Bitdefender Total Security, Bitdefender Internet Security and Bitdefender Antivirus Plus) make Windows 10 more secure. We are fully compatible with Windows 10.
  • Brand New Bitdefender firewall – New effective network firewall designed specifically for Windows 10.
  • Ransomware Protection – Protects your important files, videos and photos from being held for ransom by malware.
  • Synchronization Bitdefender wallet – Accessible from any device.
  • New Password Generator – Creates strong passwords that are difficult to hack.
How To Activate ? 
  1. Make Bitdefender account
  2. Click on My Subscriptions
  3. Click on Activation code
  4. Paste the key
  5. Enjoy! 😀
Screenshot 

Download & Links
Key
Bitdefender Total Security 2016 Key
Bitdefender Total Security 2016 Trial’s
Bitdefender Total Security 2016 Offline Installer 32-bit / Mirror (277 MB)
Bitdefender Total Security 2016 Offline Installer 64-bit / Mirror (316 MB)

facebook ফ্রেন্ডদের হাইড করা বা লুকানো ই-মেইল হ্যাক করুন খুব সহজে

সালাম ও শুভেচ্চা জানিয়ে শুরু করলাম আজকের হ্যাকিং বিষয়ক টিউনটি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। ভাল না থেকে উপায়ও নেই কারণ বসন্ত যে শুর হয়ে গেছে। বসন্তে অসূখি থাকা ঠিক না। বসন্তের শুভেচ্ছার সাথে জেনে নিন কিভাবে আপনি আপনার ফেজবুক ফ্রেন্ডদের লুকানো ই-মেইল হ্যাক করবেন অর্থাৎ ই-মেইলটি খুজে বের করবেন। কারণ প্রতিটি সচেতন ফেজবুক ইউজারই নিরাপত্তার স্বার্থে  তাদের ই-মেইল একাউন্ট হাইড করে রাখে। তার আগে বলে রাখি, আমি কোন ধরনের প্রফেশনার হ্যাকার নই কিংবা প্রফেশনালদের ধারে-কাছেরও কেউ নই। আমি যে বিষয়টি নিয়ে টিউন করছি তা খুবি সহজ একটি টিউন যা আপনি খুব সহজেই করতে পারবেন। অবশ্যই আমার আজকের টিউন যারা এই বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকে জানেননা তাদের জন্য। সুতরাং প্রফেশনাল বা জ্ঞানীরা দূরে থাকাই ভাল। তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে আপনি আপনার ফেজবুক লগ-ইন করে নিন তারপর একটি ইয়াহু একাউন্ট খুলুন (যাদের একাউন্ট আগে থেকেই আছে তাদের আর নতুন করে একাউন্ট খোলার দরকার নাই যেটা আছে ওটাতেই সাইন-ইন করুন)। জিমেইলে আমি ট্রাই করিনি আপনারা ট্রাই করে দেখতে পারেন। ইমেইল একাউন্ট খুলতে এখানে ক্লিক করুন। একাউনটি অপেন করলে নিচের মত দেখবেন

এবার আপনি নীল দাগ দেওয়া কন্টাক্ট চিহৃটিতে ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন

এবার নীল দাগ দেওয়া ফেজবুকের Import ট্যাব এ ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন

আপনার কাজ শেষ। যে ছবিটি দেখতেছেন তার বাম পাশে তাকিয়ে দেখুন সেগুলোই হলো আপনার ফেজবুক ফ্রেন্ড আর তাদের ই-মেইল এড্রেস। এখানে আমি আমার ফ্রেন্ডদের ই-মেইলগুলো মুছে দিয়েছি ফ্রেন্ডদের একাউন্টের নিরাপত্তার স্বার্থে।
বিঃ দ্রঃ হাতেগোনা কয়েকজন ফ্রেন্ডদের ই-মেইল একাউন্ট শো করেনা কেন করেনা তা আমি গবেষণা করে দেখিনি। আপনাদের প্রতি অনুরোধ রইল সময় পেলে গবেষণা করে আমাদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করবেন